Kidney Disease

লিভারের মতো কিডনিতেও জমে মেদ, ফ্যাটি কিডনি কতটা ভয়াবহ? লক্ষণ চিনে সতর্ক হওয়া জরুরি

নিয়মিত সময়ান্তরে হার্টের পরীক্ষা, সুগার টেস্ট করালেও কিডনির কোনও রকম টেস্ট সাধারণত করান না অনেকেই। অন্তত যত দিন না সমস্যা শুরু হচ্ছে। অথচ কিডনির অসুখই এখন বেড়ে গিয়ে ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে। বিপদ থেকে বাঁচতে সতর্ক হওয়া খুব জরুরি।

Advertisement
শেষ আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৩১
What is Fatty kidney disease, what are the symptoms and prevention tips

ফ্যাটি কিডনি কী, কেমন লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক হবেন। ফাইল চিত্র।

কিডনির রোগ নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। কিডনির ক্রনিক অসুখে আক্রান্ত হচ্ছেন কমবয়সিরাই। কিডনিতে পাথর জমার সমস্যা প্রায় ঘরে ঘরে। তার উপরে কিডনিতে সংক্রমণ, পলিসিস্টিক কিডনির অসুখেও আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। কিডনির আরও এক রকম রোগ হয় যা নিয়ে সচেতনতা খুব কম। সেটি হল ফ্যাটি কিডনি। ফ্যাটি লিভার রোগটির সঙ্গে কমবেশি অনেকেই পরিচিত। লিভারে মেদ জমার রোগকে বলে ফ্যাটি লিভার। একই ভাবে মেদ জমতে পারে কিডনিতেও। ওজন যাঁদের খুব বেশি, স্থূলত্ব রয়েছে, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাসও, তাঁদেরই হতে পারে এই রোগ।

Advertisement

কেন হয় ফ্যাটি কিডনি?

কিডনির কেন্দ্রস্থলে একটি গহ্বর থাকে, যাকে বলে রেনাল সাইনাস। এই অংশটির ভিতর দিয়ে অসংখ্য সূক্ষ্ম শিরা, ধমনী, রক্তজালিকা চলে গিয়েছে। ওই অংশ দিয়েই কিডনি থেকে রক্ত সঞ্চালন হয় এবং দূষিত পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। ওই অংশে ও তার চারপাশে যদি মেদ জমতে থাকে, তখন রক্ত সঞ্চালন বাধা পায়। কিডনির ভিতরে চাপ বাড়ে, অনেক সময়ে সংক্রমণও হয়। ফলে প্রস্রাবের সমস্যা দেখা দেয়, কিডনিতে পাথর জমা শুরু হতে পারে, রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

চিকিৎসক অরুণাংশু তালুকদারের মতে, ছোট থেকেই স্থূলত্বের সমস্যা যাঁদের রয়েছে, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবিটিস আছে, তাঁদের ঝুঁকি বেশি। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাসের কারণে রক্তে কোলেস্টেরল বা ট্রাইগ্লিসারাইড মারাত্মক রকম বেড়ে গেলে তার থেকেও কিডনির রোগ হতে পারে।

নিরাময়ের উপায়

ফ্যাটি কিডনি থেকে বাঁচতে হলে জীবনযাপনে বদল আনা জরুরি, সেই সঙ্গেই সময় থাকতে কিছু স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে। বাদ দিতে হবে ভাজাভুজি, ফাস্ট ফুড, বাজারচলতি পানীয়। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। হাঁটাহাঁটি, দৌড়োলে, নিয়ম করে যোগাসন করলে রোগের ঝুঁকি কমবে। সেই সঙ্গেই সিরাম ক্রিয়েটিনিন টেস্ট, ইউরিন ডিপস্টিক টেস্ট, ব্লাড ইউরিয়া নাইট্রোজেন পরীক্ষা করিয়ে রাখলে বিপদের ঝুঁকি কমবে।

Advertisement
আরও পড়ুন