Yoa for Cholesterol

কোলেস্টেরল বাড়ছে, রক্তচাপও বেশি, কম পরিশ্রমে মাত্র ১৫ মিনিটের তিন যোগাসনেই হবে রোগমুক্তি

শরীরে রক্ত চলাচলে যখন বাধা সৃষ্টি হয়, তখনই শুরু হয় নানা রকম সমস্যা। বিভিন্ন উপসর্গ জানান দেয়, শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বাসা বেঁধেছে। কোলেস্টেরল বাড়লে ওষুধ খাওয়া ছাড়া গতি নেই। তবে ব্যায়ামও করে দেখতে পারেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ১৫:১৭
কোলেস্টেরলের সমস্যা ঘরে ঘরে, সহজ যোগাসনেই মিলবে সমাধানের পথ।

কোলেস্টেরলের সমস্যা ঘরে ঘরে, সহজ যোগাসনেই মিলবে সমাধানের পথ। ছবি: ফ্রিপিক।

পায়ে ব্যথা কমবেশি সকলেরই হয়। কিন্তু যদি দেখেন, পায়ের পেশিতে মাঝেমধ্যেই টান ধরছে, হাঁটুর নীচ থেকে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হচ্ছে, তা হলে সতর্ক হতেই হবে। পায়ের ব্যথা মানেই কিন্তু বাত নয়। আবার পায়ে ব্যথা মানেই তা কেবল পেশির যন্ত্রণা, তা না-ও হতে পারে। রক্তে কোলেস্টেরলের বাড়বাড়ন্ত হলে, তা থেকে পায়ের যন্ত্রণা ভোগাতে পারে। আবার কোলেস্টেরল বাড়লে চাপ পড়ে হৃদ্‌যন্ত্রের উপরও। পরিবারে হৃদ্‌রোগ ও উচ্চ কোলেস্টেরলের ইতিহাস থাকলে, সাবধানে থাকতেই হবে। সে ক্ষেত্রে খাওয়াদাওয়ায় নিয়ম মানা ও ওষুধ খেয়ে যাওয়া ছাড়া গতি নেই। তবে চিকিৎসকেরা বলেন, শুধু ওষুধ খেলে লাভ হবে না। এর পাশাপাশি ব্যায়ামও করতে হবে। তবেই রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

Advertisement

ব্যায়াম মানে কার্ডিয়ো বা ওজন তোলা নয়। কম পরিশ্রমে হালকা ব্যায়ামেও কোলেস্টেরল কমতে পারে। সে জন্য যোগাসন করা যেতে পারে। তবে কী ধরনের আসন কমলে কোলেস্টেরল কমে যাবে, তা জেনে রাখা জরুরি। যোগাসন প্রশিক্ষক অনুপ আচার্যের মত, আসনের সহজ কিছু পদ্ধতি আছে যা নিয়মিত অভ্যাস করলে সারা শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভাল হবে। এতে ধমনীতে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতাও কমবে। ফলে হার্টও ভাল থাকবে। যাঁদের পরিবারে হৃদ্‌রোগ ও কোলেস্টেরলের ইতিহাস আছে, তাঁরা এই সব ব্যায়াম করলে উপকার পাবেন। আচমকা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিও কমবে।

কোন কোন আসন কোলেস্টেরল কমাতে সহায়ক হবে?

অগ্নিবর্ধক মুদ্রা

ম্যাটের উপর সুখাসনে বসুন। পিঠ টানটান থাকবে। দুই হাতের অনামিকা ভাঁজ করে তার ডগা বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠের গোড়ায় স্পর্শ করান। বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দিয়ে অনামিকা ধরে রাখুন। দুই হাত হাঁটুর উপর রেখে ১৫-২০ মিনিট মুদ্রাটি করতে হবে। এই সময়ে শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে।

চক্রাসন

ম্যাটের উপর টান টান হয়ে শুয়ে পড়ুন। শ্বাস-প্রশ্বাস যেন স্বাভাবিক থাকে। এ বার ধীরে ধীরে হাঁটু ভাঁজ করতে হবে। পায়ের পাতা যেন মাটি স্পর্শ করে থাকে। দুই হাত ধীরে ধীরে উপরের দিকে প্রসারিত করুন। কনুই উল্টো দিকে ভাঁজ করে নিয়ে যান মাথার দু’পাশে। এ বার পা এবং হাতের পাতার উপর ভর দিয়ে পুরো শরীরটাকে মাটি থেকে শূন্যে তুলে নিন। মাথা যেন মাটি স্পর্শ করে থাকে। শরীরের ভঙ্গি এমন হবে, যেন বাইরের থেকে দেখলে তা চাকার মতো লাগে। ২০ সেকেন্ড করে তিন সেটে আসনটি করতে হবে।

যোগানন্দাসন

ম্যাটের উপর সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। শরীর টানটান থাকবে। বাঁ পা সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। হাঁটু ভেঙে দাঁড়ান। একই সময়ে ডান পা পিছনে অনেকটা প্রসারিত করতে হবে। এ বার দু’হাত নমস্কারের ভঙ্গিতে মাথার উপরে তুলুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক রেখে ওই ভঙ্গিতে ২০ সেকেন্ড থেকে আবার পা বদলে আসনটি করুন।

Advertisement
আরও পড়ুন