ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
হেঁশেলের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির মধ্যে অন্যতম লবঙ্গ। খাবারের মান বাড়াতে এই মশলার জুড়ি মেলা ভার। রান্নার পাশাপাশি স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতেও কার্যকরী লবঙ্গ। সর্দি-কাশিকে বাগে আনতে লবঙ্গের ভূমিকা প্রশংসনীয়। তবে আমাদের পরিচিত পরিধির বাইরেও লবঙ্গের নানা ব্যবহার রয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্রে লবঙ্গের নানা উপকারিতার কথা বলা রয়েছে। বিশেষ কিছু উপায় রয়েছে যা লবঙ্গ-সহ পালনে নানা দিক থেকে উন্নতি লাভ করা যায়। সেগুলি কী, জেনে নিন।
লবঙ্গের টোটকা:
১. অর্থসঙ্কট দূর করতে: যে কোনও সপ্তাহের রবিবার দু’টি লবঙ্গ, পাঁচটি সুপুরি এবং পাঁচটি এলাচ একটি লাল বা হলুদ রঙের কাপড়ের টুকরোয় নিয়ে পুঁটলি মতো তৈরি করুন। তার পর সেটি মা লক্ষ্মীর সামনে রেখে দিন। এক সপ্তাহ ধরে সেটিকে পুজো করুন। পরের রবিবার সেটিকে সিংহাসন থেকে তুলে টাকা রাখার জায়গায় রেখে দিন। আর্থিক ক্ষেত্রে চোখে পড়ার মতো উন্নতি দেখতে পাবেন।
২. রাহু-কেতুর অশুভ প্রভাব দূর করতে: রাহু-কেতুকে বশে রাখতেও কার্যকরী লবঙ্গ। প্রতি সোমবার শিবলিঙ্গে একটি করে লবঙ্গ অর্পণ করুন। টানা তিন মাস এই কাজ করলে ফল বুঝতে পারবেন। জীবন আগের থেকে অনেকটা সহজ হয়ে যাবে।
৩. পেশাজীবনে উন্নতি: পেশাজীবনে প্রচুর চেষ্টা করেও মনোমতো ফলপ্রাপ্তিতে ব্যর্থ হচ্ছেন? প্রতি শুক্রবার করে দু’টি লবঙ্গ দেবী লক্ষ্মীর চরণে অর্পণ করুন। দেখবেন, উন্নতির পথে আসা সকল বাধা ধীরে ধীরে কেটে যাবে।
৪. অশুভ শক্তি দূর করতে: বাড়িতে অশুভ শক্তির সঞ্চার বৃদ্ধি পেলে কোনও কাজই ঠিকমতো করা যায় না। এর থেকে রেহাই পেতে সাহায্য করবে লবঙ্গ। প্রতি দিন সন্ধ্যাবেলা কর্পূরের সঙ্গে দু’টি করে লবঙ্গ পুড়িয়ে সেই ধোঁয়া সারা বাড়িতে ছড়িয়ে দিন। নেগেটিভ শক্তির কবল থেকে মুক্তি পাবেন।
৫. ইচ্ছাপূরণ করতে: মনোবাসনা পূরণ করতেও সাহায্য করে লবঙ্গ। আপনার বয়সের সমান সংখ্যক লবঙ্গ নিয়ে কালো সুতো দিয়ে গেঁথে একটি মালা তৈরি করুন। তার পর সেই মালা দেবী দুর্গার চরণে অর্পণ করে তাঁকে মনোবাসনা জানান। দেখবেন, কিছু দিনের মধ্যেই ফল পাচ্ছেন।