ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
১৪৩২ বঙ্গাব্দ শেষ হতে বাকি আর হাতেগোনা কয়েকটি দিন। চলতি ইংরেজি বছরের (২০২৬ সাল) ১৪ এপ্রিল শেষ হতে চলেছে বাংলা সনটি। বাংলা ক্যালেন্ডারে ১২টি সংক্রান্তির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বাংলা বছরের শেষ দিনটি, অর্থাৎ চৈত্র সংক্রান্তি। সংক্রান্তি বলতে বোঝায় সূর্যের এক রাশি থেকে পরবর্তী রাশিতে গমন। নতুন বাংলা বছরে পা রাখার আগেই রাশি পরিবর্তন করছে সূর্য। প্রবেশ করছে প্রথম রাশি, মেষে।
জ্যোতিষমতে, সূর্য মেষ রাশিতে প্রবেশ করলে খুবই প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। এই শুভ সময়ে শনি, রাহু ও মঙ্গল গ্রহকে তুষ্ট করার জন্য কিছু প্রতিকার করলে তা বিশেষ ফলদায়ক হয়। প্রচলিত বিশ্বাস, শনি, রাহু এবং মঙ্গল অনিষ্টকারী গ্রহ। এই তিন গ্রহের কুদৃষ্টির ফলে মানুষের জীবনে চরম বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। তাই, এদের তুষ্ট রাখতে চান সকলেই।
জেনে নিন এই তিন অশুভ গ্রহকে শান্ত রাখার উপায়—
শনির প্রতিকার: মেষ সংক্রান্তিতে কালো তিল ও গুড় দান করলে জীবনে শান্তি আসে। সর্ষের তেল দানেও শনির অশুভ প্রভাব কমে বলে বিশ্বাস। এই দিনে হনুমানজির পুজো করলে শনির দোষ দূর হয়। বজরংবলীকে সিঁদুর ও চামেলির তেল নিবেদন করলেও শনির কুদৃষ্টি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
রাহুর প্রতিকার: নীল বা ধূসর রঙের কাপড়, তিল, সর্ষে ও নারকেল মেষ সংক্রান্তিতে দান করা শুভ বলে মনে করা হয়। ‘ওঁ ভ্রাং ভ্রীং ভ্রৌং সঃ রাহবে নমঃ’ মন্ত্র জপের ফলে রাহুর অশুভ প্রভাব কমে। প্রবাহমান জলে নারকেল দেওয়া এবং কালো কুকুরকে খাবার খাওয়ানোও রাহুর শান্তির জন্য ফলদায়ী। এ ছাড়া নিজের কাছে একটি রুপোর টুকরো রাখলেও শুভ ফল পাওয়া যায়।
মঙ্গলের প্রতিকার: মেষ সংক্রান্তির দিনে লাল কাপড়, লাল চন্দন ও মুসুর ডাল দান করলে মঙ্গলদোষ কমে। এই দিনে হনুমান চালিশা ও বজরংবান পাঠ করাও শুভ। তামার পাত্রে জল নিয়ে সূর্যের উদ্দেশ্যে অর্ঘ্য দেওয়া এবং তামার পাত্র দান করাও মঙ্গলকে শান্ত করার ক্ষেত্রে কার্যকরী।