—প্রতীকী ছবি।
১৪ জানুয়ারি ২০২৫, বাংলার নয় নম্বর মাস, পৌষ মাসের শেষ দিন। এই দিনটি মকর সংক্রান্তি নামেও পরিচিত। পৌষ সংক্রান্তির দিনে সূর্য ধনু রাশি ছেড়ে পরবর্তী রাশি মকরে গমন করে। শুরু হয় উত্তরায়ণ। সেই কারণে পৌষ সংক্রান্তির দিনটিকে মকর সংক্রান্তি নামেও অভিহিত করা হয়। পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দিনই গঙ্গাদেবীর আবির্ভাব হয়েছিল। তাই গঙ্গাসাগরে জাঁকজমকের সঙ্গে মকর সংক্রান্তির তিথি পালনের চল রয়েছে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষেরা এই দিন সাগরসঙ্গমে স্নান করার জন্য ভিড় করেন।
এই দিন বহু মানুষ সূর্যদেবের পুজো করেন। তবে অনেকেই জানেন না যে এই পবিত্র তিথিতে শিবের উপাসনা করলেও দারুণ ফলপ্রাপ্তি ঘটে। মকর সংক্রান্তির তিথিতে মহাদেবকে বিশেষ কিছু জিনিস অর্পণ করলে খুব ভাল ফল পাওয়া যায়। পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি আসে। নানা গ্রহের কুপ্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। কোন জিনিসগুলি অর্পণ করতে হবে জেনে নিন।
মকর সংক্রান্তির দিন শিবলিঙ্গে কোন জিনিসগুলি অর্পণ করবেন?
কালো তিল: মকর রাশির জাতক গ্রহ শনিদেব। মকর সংক্রান্তির দিন শিবলিঙ্গে কালো তিল অর্পণ করলে শনিদেবের কুপ্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
গঙ্গাজল ও গুড়: গঙ্গাজল মহাদেবের অত্যন্ত প্রিয় জিনিস। মকর সংক্রান্তির পবিত্র তিথিতে গঙ্গাজলে সামান্য গুড় মিশিয়ে শিবলিঙ্গে অর্পণ করা গেলে খুব ভাল ফল পাওয়া সম্ভব।
আখের রস: এখনও অনেক বাড়িতে পৌষ সংক্রান্তির দিন নবান্ন বানানোর চল রয়েছে। কারণ এই তিথি নতুন ফসলকে স্বাগত জানানোর উৎসব হিসাবেও পরিচিত। এই দিন শিবলিঙ্গে আখের রস অর্পণ করলে দেবী লক্ষ্মী অত্যন্ত প্রসন্ন হন। দু’হাত ভরে আশীর্বাদ করেন।
কাঁচা দুধ ও মধু: শারীরিক দিক দিয়ে সুস্থ থাকতে পৌষ সংক্রান্তির দিন শিবলিঙ্গে দুধ ও মধু অর্পণ করুন। তবে এর পর শিবলিঙ্গকে গঙ্গাজল দিয়ে ধুতে ভুলবেন না।
অখণ্ড চাল: জীবনে সমৃদ্ধি আনার লক্ষ্যে এই পবিত্র দিনে শিবলিঙ্গে অখণ্ড চাল নিবেদন করা যেতে পারে।