ছবি: সংগৃহীত।
জীবনে সুখ, সমৃদ্ধি ও ঐশ্বর্য পেতে কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি প্রয়োজন হয় সৌভাগ্যেরও। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, ভাগ্য অনুকূল না হওয়ার কারণে অধিকাংশ সময় একজন ব্যক্তিকে তাঁর পেশাগত এবং ব্যক্তিজীবনে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। বহু চেষ্টা করেও তাঁর পরিশ্রমের ফল মেলে না। দিনের পর দিন ব্যর্থতার সম্মুখীন হতে হতে মানসিক ভাবেও ভেঙে পড়েন সেই ব্যক্তি। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, সৌভাগ্যলাভের বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। নিয়ম মেনে সেই পন্থা অবলম্বন করলে পরিশ্রমের ফল হাতেনাতে মিলতে বাধ্য।
অর্থাভাব দূর করতে
প্রতি দিন পিঁপড়েকে চিনির সঙ্গে ময়দা মিশিয়ে খাওয়ান। মাছকে আটার গুলি খাওয়াতে পারেন। তার ফলে আপনি পুণ্য অর্জন করবেন। মা লক্ষ্মীও এর ফলে প্রসন্ন হন বলে বিশ্বাস।
মনোবাঞ্ছা পূরণ করতে
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, প্রতি দিন সন্ধ্যায় অশ্বত্থ গাছের তলায় দুধের সঙ্গে জল মিশিয়ে নিবেদন করুন। তার পর সেখানে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালান। প্রদীপ জ্বালানোর পর আপনার ইচ্ছা মনে মনে বলুন এবং অশ্বত্থ গাছের চারদিকে ৫ বার প্রদক্ষিণ করুন। এই নিয়ম মানলে সমস্ত ইচ্ছা শীঘ্রই পূরণ হবে, এমনটাই মনে করা হয়।
কুণ্ডলীদোষ কাটাতে
আপনার রাশিতে রাহু-কেতু অথবা শনির দোষ থাকলে রুটিতে তেল লাগিয়ে কালো রঙের কুকুরকে খাওয়ান। জ্যোতিষমতে, এর ফলে সমস্ত গ্রহদোষ দূর হয়ে যায়। বাড়িতে সুখ-শান্তি বজায় থাকে।
ভাগ্য ফিরিয়ে আনতে
প্রতি দিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথমে দুই তালু মুখের সামনে এনে তিন থেকে চার বার তা মুখের উপর ঘোরাতে হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, তালুর উপরের অংশে দেবী লক্ষ্মীর স্থান। মাঝখানে মা সরস্বতীর এবং নীচের অংশে রয়েছেন ভগবান বিষ্ণু। বিশ্বাস করা হয় যে, মুখের চারপাশে এমন ভাবে তালু ঘোরালে আপনার ভাগ্য উজ্জ্বল হতে শুরু করে।
চাকরির ক্ষেত্রে
চাকরি পেতে সমস্যা হলে শনিবার শনিমন্দিরে গিয়ে সর্ষের তেলের প্রদীপ জ্বালান। তার ফলে চাকরি সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা দূর হয় বলে প্রচলিত বিশ্বাস। শনির মন্ত্র জপ করার সঙ্গে সঙ্গে শনির অশুভ প্রভাব কমে যায়। আপনি যদি একজন ব্যবসায়ী হন, তাহলে আপনার কর্মক্ষেত্রে ‘ব্যাপারবৃদ্ধি যন্ত্র’ ব্যবহার করুন। এর ফলে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে আপনি আরও সমৃদ্ধ হবেন।
পরিবারে সুখ-শান্তি বজায় রাখতে
পরিবারে নিত্য অশান্তি লেগে থাকলে নুন জল দিয়ে পুরো ঘর পরিষ্কার করে মুছতে হবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই নিয়ম মেনে চললে ঘরে ইতিবাচক শক্তির প্রবাহ শুরু হয়। তার পাশাপাশি বাড়ির সদস্যদের মধ্যে ভালবাসা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা যায়।