Pakistan Spy Link

মোবাইলে ১৫০ পাকিস্তানি নম্বর, জ্যোতির সঙ্গেও যান পাকিস্তানে! পঞ্জাবে ধৃত ইউটিউবার সম্পর্কে কী কী তথ্য পেল পুলিশ

পুলিশ জানতে পেরেছে, পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন পঞ্জাব ওই ইউটিউবার! প্রাথমিক খবর, অন্তত ১৫০ জন পাকিস্তানির সঙ্গে নানা সময়ে কথা বলেছেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ জুন ২০২৫ ১৫:২৮
150 Pakistani numbers, PAK trip with Jyoti Malhotra, what is known so far about Jasbir Singh

(বাঁ দিকে) জ্যোতি মলহোত্রা এবং জসবীর সিংহ (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে বুধবার গ্রেফতার হয়েছেন পঞ্জাবের ইউটিউবার জসবীর সিংহ! জ্যোতি মলহোত্রার পর এ বার পুলিশের জালে এই ইউটিউবার। তাঁর গ্রেফতারির পর থেকেই পুলিশের আতশকাচের নীচে রয়েছে জসীরের মোবাইল ফোন-সহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম। একই সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে তাঁর পাসপোর্টও! এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই মত তদন্তকারীদের। সেই সব তথ্য থেকেই জসবীরের পাক-যোগ, জ্যোতির সঙ্গে যোগাযোগ— সব কিছুর প্রমাণ স্পষ্ট বলে দাবি তদন্তকারীদের। তবে বিষয়গুলি আরও খতিয়ে দেখতে চাইছেন তাঁরা।

Advertisement

সূত্রের খবর, পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন জসবীর! অন্তত ১৫০ জন পাকিস্তানির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল ইউটিউবারের। তাঁদের নম্বর সেভ করে রাখা জসবীরে মোবাইলে। বেশ কয়েক জন পাকিস্তানি গোয়েন্দারা সঙ্গেও তাঁর নিয়মিত যোগাযোগ ছিল বলে দাবি পুলিশের। সেই তালিকায় যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের অনেকের সঙ্গে আবার হরিয়ার ইউটিউবার জ্যোতিরও কথা হত! শুধু তা-ই নয়, ২০২৪ সালে জ্যোতি এবং জসবীর একই সঙ্গে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন।

এক বার নয়, অন্তত বার তিনেক পাকিস্তান ভ্রমণ করেছিলেন জসবীর, এমনই জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তাঁর পাসপোর্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ এবং ২০২১ সালেও পাকিস্তানে যান জসবীর। তবে বিশেষ করে ২০২৪ সালে তাঁর পাকিস্তান-যাত্রাই বেশি ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। তাঁরা আরও জানতে পেরেছেন, ২০২৩ সালে জ্যোতি যখন পাকিস্তানে গিয়েছিলেন, তখন শাকির এবং রানা শাহবাজ় নামে দু’জনের সঙ্গেও আলাপ হয়েছিল তাঁর। এই দু’জন পাক গুপ্তচর বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। তাঁদের মধ্যে শাকিরের নাম নিজের মোবাইলে ‘জাট রনধাওয়া’ নামে সেভ করে রেখেছিলেন জ্যোতি। পঞ্জাব পুলিশ জানিয়েছে, সেই শাকিরের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল জসবীরেরও। এ ছাড়াও, জসবীরের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল এহসান-উর-রহিম ওরফে দানিশেরও। বস্তুত, এই দানিশ ছিলেন নয়াদিল্লিতে পাক হাইকমিশনে কর্মরত এক আধিকারিক। দানিশের আমন্ত্রণে হাইকমিশনের এক অনুষ্ঠানে যান জসবীর। সেই অনুষ্ঠানে দানিশ, জ্যোতি এবং জসবীরের একসঙ্গে তোলা একটি ছবিও পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
আরও পড়ুন