Manipur Unrest

দুই কুকি গ্রামবাসীকে অপহরণ করে খুন, অশান্ত মণিপুরে এ বার সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল নাগা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলি

মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইয়ুমনাম খেমচাঁদ জানিয়েছেন, তাঁর সরকার দুই কুকি গ্রামবাসীকে অপহরণ ও খুনের ঘটনার এনআইএ তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬ ০৯:১২
মণিপুরে সক্রিয় নিরাপত্তাবাহিনী।

মণিপুরে সক্রিয় নিরাপত্তাবাহিনী। —ফাইল চিত্র।

রাষ্ট্রপতি শাসনে ইতি টেনে নতুন সরকার ক্ষমতাসীন হলেও হিংসার বিরাম নেই মণিপুরে। কমজং জেলার থাওয়াই কুকি গ্রামে দুই কুকি গ্রামবাসীকে খুনের ঘটনায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিজেপি শাসিত রাজ্যে।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার থাওয়াই কুকি গ্রামের বাসিন্দা থেংগিন বাইটে এবং উখরুল জেলার শাংকাইয়ের বাসিন্দা থানগবোইমাং খোংসাইকে অপহরণ করেছিল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা। বৃহস্পতিবার তাঁদের দেহ উদ্ধারের পরেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পাহাড়ি এলাকায়। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী ইয়ুমনাম খেমচাঁদ জানিয়েছেন, তাঁর সরকার ওই ঘটনার এনআইএ তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ওই পাহাড়ি এলাকায় মেইতেই সংগঠনগুলির কার্যত কোনও অস্তিত্ব নেই। হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে নাগা জঙ্গিদের ভূমিকার কথা উঠে এসেছে ইতিমধ্যেই।

গত চার বছর ধরে মেইতেই-কুকি সংঘর্ষে উত্তপ্ত মণিপুরে বস্তুত এই প্রথম বার নাগা গোষ্ঠীগুলির ভূমিকা নিয়ে অভিযোগের আঙুল উঠেছে। বুধবার উখরুল জেলার মাপিথেল পাহাড়ি এলাকায় দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে গুলির লড়াই হয়। কুকি এবং নাগা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির মধ্যে বিবাদের জেরেই এই ঘটনা বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মণিপুরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে গোবিন্দাস। তিনি জানান ওই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ২১ জন নাগা গ্রামবাসীকে অপহরণ করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাতে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, কুকিদের মতো নাগারাও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী। মণিপুরের দুই পাহাড়ি জেলা, সেনাপতি এবং উখরুলে মূলত তাঁদের বসবাস।

Advertisement
আরও পড়ুন