Murder Case

এক ব্যবসায়ীকে এলোপাথাড়ি মারধর করে খুনের অভিযোগ তিন খাবার ডেলিভারি কর্মীর বিরুদ্ধে! ধৃত দুই

পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৩ জানুয়ারি রাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় শিবমের সঙ্গে রাস্তায় তিন খাবার ডেলিভারি কর্মীর কোনও বিষয়ে নিয়ে বচসা শুরু হয়। এর পরেই ওই যুবককে বেধড়ক মারধর করে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে তিন কর্মীর বিরুদ্ধে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৪:৪২

— প্রতীকী চিত্র।

রাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে আচমকা এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠেছে তিন খাবার ডেলিভারি কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জানুয়ারি মধ্য দিল্লির কনট প্লেস এলকায়। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রায় দু’সপ্তাহ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ওই যুবক। গত ১৯ জানুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালেই তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অন্য এক জনের খোঁজ চালাচ্ছে তারা।

Advertisement

মৃতের নাম শিবম গুপ্ত (৩৬)। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৩ জানুয়ারি রাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় ওই যুবকের সঙ্গে রাস্তায় তিন খাবার ডেলিভারি কর্মীর কোনও বিষয়ে নিয়ে বচসা শুরু হয়। এর পরেই ওই যুবককে বেধড়ক মারধর করে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে তিন কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনার খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানে প্রায় ১৬ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁর। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিবম মাথায় গুরুতর চোট পেয়েছিলেন।

তদন্তে নেমে এলাকার সিসি ক্যামেরা খতিয়ে দেখে পুলিশ। সেখানে দেখা গিয়েছে, বচসার জেরে ওই তিন কর্মী তাঁদের হেলমেট দিয়ে ব্যবসায়ীকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। এর পর ওই যুবককে ওখানে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তাঁরা। শিবমের রক্তমাখা পোশাক ফরেনসিক তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে পুলিশ। কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অভিযুক্তেরা মৃতের পূর্বপরিচিত কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখছে তারা।

এই ঘটনার পর শিবমের বাবা অনিলকান্ত গুপ্ত জানান, গত ২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় শিবম একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “আমি রাতে বারবার শিবমকে ফোন করছিলাম। কিন্তু কোনও উত্তর পাচ্ছিলাম না। কিছুক্ষণ পর পুলিশের কাছ থেকে একটি ফোন আসে এবং জানানো হয় যে আমার ছেলে হাসপাতালে ভর্তি।” অভিযুক্ত কর্মীদের কঠোরতম শাস্তির দাবি জানান অনিলকান্ত। তিনি বলেন, “আমার ছেলেই আমার সব ছিল। এখন আমরা শুধু ন্যায়বিচারের আশা করছি। অপরাধীদের এমন কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত যাতে আর কারও ঘর এ ভাবে ধ্বংস না হয়।”

Advertisement
আরও পড়ুন