AI Summit

এআই সম্মেলনে কংগ্রেসের বিভোক্ষের সঙ্গে নেপালের ‘জেন জ়ি’ আন্দোলনের তুলনা! আদালতে আর কী বলল পুলিশ

আদালতে অভিযুক্তদের পাঁচ দিনের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। তবে কেন তাঁরা হেফাজতে চাইছেন, আদালতের সেই প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারীরা জানান, গভীর ষড়যন্ত্র চলছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০১:৩৬
এআই সম্মেলনে কংগ্রেস কর্মীদের প্রতিবাদ।

এআই সম্মেলনে কংগ্রেস কর্মীদের প্রতিবাদ। ছবি: পিটিআই।

দিল্লির আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সম্মেলনে আচমকাই একদল যুবক ঢুকে পড়েন। গায়ের জামা খুলে হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তাঁরা। প্রত্যেকেই কংগ্রেস কর্মী। সেই ঘটনার সঙ্গে নেপালের ‘জেন জ়ি’ বিক্ষোভের তুলনা টানল দিল্লি পুলিশ। শুক্রবার গ্রেফতারির পর চার বিক্ষোভকারীকে আদালতে হাজির করানো হয়। সেখাানেই দিল্লি পুলিশের যুক্তি, অভিযুক্তেরা নেপালের বিক্ষোভের মতোই একটা বিক্ষোভ করেছেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশকে বদনাম করেছেন।

Advertisement

আদালতে সরকারি আইনজীবীর সওয়াল, ভারত-আমেরিকার বাণিজ্য-সমঝোতা নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বিক্ষোভকারীরা দেশবিরোধী স্লোগান দেন। স্লোগান দেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধেও। টি-শার্টেও ছিল সেই সব স্লোগান লেখা।

আদালতে অভিযুক্তদের পাঁচ দিনের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। তবে কেন তাঁরা হেফাজতে চাইছেন, আদালতের সেই প্রশ্নের জবাবে তদন্তকারীরা জানান, গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। অন্য অভিযুক্তেরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গিয়েছেন। এই ঘটনার সঠিক তদন্তের জন্য অভিযুক্তদের হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। আদালত পুলিশের আবেদন মেনে পাঁচ দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেছে।

আদালতে পুলিশ আরও জানায়, শুক্রবার বিক্ষোভকারীদের সরাতে গিয়ে তিন জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে। এই বিক্ষোভের জন্য তাঁরা কোথাও থেকে কোনও টাকা পেয়েছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। যদিও অভিযুক্তদের আইনজীবীর দাবি, বিরোধী দলের সদস্য বলেই তাঁর মক্কেলদের নিশানা করা হয়েছে। রাজনৈতিক ভিন্ন মতাদর্শকে এ ভাবে দমন করা যায় না।

শুক্রবার দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এআই সম্মেলন চলাকালীন আচমকাই সেখানে হাজির হন কয়েক জন। সম্মেলনে উপস্থিত হওয়া সকলে দেখেন, গায়ের জামা খুলে ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য-সমঝোতার বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছেন কয়েক জন। তাঁদের মধ্যে ১০ জনকে প্রথমে আটক করে পুলিশ। পরে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতেরা হলেন যুব কংগ্রেসের জাতীয় সম্পাদক কৃষ্ণ হরি, বিহার যুব কংগ্রেসের রাজ্য সম্পাদক কুন্দন যাদব, উত্তরপ্রদেশ যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি অজয় কুমার, যুব কংগ্রেসের জাতীয় সহায়ক নরসিংহ যাদব।

Advertisement
আরও পড়ুন