Ahmedabad Air India Plane Crash

এয়ার ইন্ডিয়া বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত কোন পর্যায়ে? এক বছরের মাথায় বিবৃতি দিয়ে জানাল তদন্তকারী সংস্থা

এক বছর আগে, ২০২৫ সালের ১২ জুন অহমদাবাদ বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার সময় ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ বিমান। সেই দুর্ঘটনার তদন্তের গতিপ্রকৃতি জানাল এএআইবি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ ২১:৩৩
AAIB said that it has made significant progress in its probe

অহমদাবাদ বিমানবন্দর থেকে ওড়ার পর সামনের ভবনে ধাক্কা খেয়ে ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭। — ফাইল চিত্র।

এক বছর পর কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত? শুক্রবার তদন্তকারী সংস্থা এয়ারক্র্যাফ্‌ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) জানিয়েছে, তারা তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তদন্ত চলছে। তবে তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট কত দিনে দেবে এএআইবি, তা নিয়ে কিছু জানায়নি তারা। যদিও সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্র উল্লেখ করে জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনার চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট আসতে বিলম্ব হবে।

Advertisement

এক বছর আগে, ২০২৫ সালের ১২ জুন অহমদাবাদ বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার সময় ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ বিমান। রানওয়ে ছাড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিমানটি উল্টো দিকের বিল্ডিংয়ে ধাক্কা খায়। সেই দুর্ঘটনায় মাত্র এক জন বাদে বিমানে থাকা সকলের মৃত্যু হয়। এক বছরের মাথায় এএআইবি বিবৃতি দিল।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘গত এক বছর ধরে তদন্তকারী দল দুর্ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত বিষয়টিগুলি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পরীক্ষা করছে। প্রামাণ্য নথি বিশ্লেষণের কাজও চলছে। তদন্ত অনেক দূর এগিয়েছে।’’ তদন্ত এখন কোন পর্যায়ে দাঁড়িয়ে? এএআইবির বিবৃতি অনুযায়ী, ‘‘সংগৃহীত প্রমাণ এবং বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল বর্তমানে ব্যাপক পর্যায়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। যেখানে প্রয়োজন মনে হচ্ছে, সেখানে অতিরিক্ত প্রযুক্তিগত মূল্যায়ণ এবং বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।’’ এএআইবি আরও জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনার তদন্তের উদ্দেশ্য হল, অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত এমন একটি সুপারিশ তৈরি করা যাতে বিমান চলাচলে নিরাপত্তা আরও বাড়ে। কার দোষে দুর্ঘটনা ঘটল, তার থেকে এই সুপারিশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।

এএআইবি জানিয়েছে, তারা স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ, প্রমাণভিত্তিক এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত পরিচালনায় দৃঢ় ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী রামমোহন নায়ডু জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাটির তদন্ত তৎপরতা এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে চলছে।

গত বছরেই ঘটনার একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করেছিলেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকেরা। ককপিটে শেষ মুহূর্তে পাইলটদের মধ্যে কী কথাবার্তা হয়েছিল, তা প্রকাশ করা হয় ওই রিপোর্টে। বলা হয়, বিমানের ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ আচমকা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। জ্বালানির সেই সুইচগুলি ‘রান’ থেকে ‘কাট অফ’-এ চলে গিয়েছিল। তার ফলে দু’টি ইঞ্জিনের কোনওটিতেই পর্যাপ্ত জ্বালানি পৌঁছোয়নি। ফলে বিমান উড়তে পারেনি। সেই ঘটনার এক বছরের মাথায় তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে বিবৃতি দিল এএআইবি।

Advertisement
আরও পড়ুন