—প্রতীকী চিত্র।
শেষ মুহূর্তে কোনও পরিবর্তন না হলে এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের গোড়ায় নয়াদিল্লি সফরে আসছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান। যদিও এ বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি নয়াদিল্লি বা ঢাকা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্থির রয়েছে, আগামী ৮ এপ্রিল আসতে পারেন তিনি। খলিলুর এ দেশে এলে বাংলাদেশের নতুন সরকারের পক্ষ থেকে এটাই হবে প্রথম কোনও মন্ত্রীর ভারত সফর।
গত শুক্রবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ। সেই বৈঠকে এ বিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রের খবর, বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথমে ভুটান অথবা মলদ্বীপ সফরে যাওয়ার কথা। এর পরে তিনি নয়াদিল্লি সফর করবেন। সূত্রের মতে, তার আগে খলিলুরের সফরে জয়শঙ্করের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে। সেখানে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে সমন্বয়, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, আঞ্চলিক সংযোগ ও পরিকাঠামো উন্নয়ন, জল বণ্টন-সহ বিভিন্ন বিষয় উঠতে পারে।
প্রসঙ্গত, এপ্রিল মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ‘ইন্ডিয়ান ওশান কনফারেন্স’-এ যোগ দিতে মরিশাস যাওয়ার কথা খলিলুরের। পাশাপাশি জয়শঙ্করও ওই সম্মেলনে যাবেন বলেই খবর। সেই সফরের আগে নয়াদিল্লিতে দুই মন্ত্রী নিজেদের মধ্যে আলোচনা সারবেন।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের নতুন মন্ত্রিসভায় ভারতের জন্য সবচেয়ে বড় চমক ছিল বিদেশমন্ত্রী বাছাই। পেশায় প্রকৌশলী খলিলুর রহমানকে বিদেশমন্ত্রী করায় অবাক হয়েছিল নয়াদিল্লি। মনে করা হয়েছিল ইউনূস সরকারের একটা ছাপ এই সরকারে থেকে গেল। খলিলুর ছিলেন ইউনূস সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা। তবে এই বার্তাও মোদী সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল, নতুন সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে কাজ এগিয়ে যেতে আগ্রহী ভারত। সে ক্ষেত্রে খলিলুরের সঙ্গে জয়শঙ্করের প্রথম বৈঠক কেমন হয়, সে দিকে নজর রাখছে কূটনৈতিক মহল।