— প্রতীকী চিত্র।
১৮ বছরের এক তরুণী চিকিৎসাকেন্দ্রে গর্ভপাত করানোর অনুমতি চেয়েছিলেন আদালতের কাছে। তাঁর গর্ভস্থ ভ্রূণের বয়স ২৮ সপ্তাহ। সেই অনুমতি দিল না বম্বে হাই কোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, গর্ভস্থ ভ্রূণ সুস্থ রয়েছে। তাই গর্ভপাত করানোর অনুমতি দিলে তা ‘ভ্রূণহত্যা’-র শামিল হবে।
বিচারপতি রবীন্দ্র ঘুগে এবং বিচারপতি অভয় জে মন্ত্রীর বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রসবের সময় পর্যন্ত তরুণীর শারীরিক এবং মানসিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। শিশুটি জন্মানোর পরে তাকে নথিভুক্ত রয়েছে এমন কোনও অনাথ আশ্রমে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। তাকে দত্তক দেওয়ারও ব্যবস্থা করতে হবে। এই বিষয়ে তরুণীকে সাহায্য করবে কোনও শিশু কল্যাণ কমিটি।
তরুণীর মা, তাঁর গর্ভপাত করানোর আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আবেদনকারীর অভিযোগ, তরুণীর যখন ১৭ বছর বয়স, তখন এক জনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়। তার ফলেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। আবেদনে জানানো হয়, ওই যুবক তরুণীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসে বাধ্য করেছিলেন। ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা জানতে পারার পরে ২ জানুয়ারি থানায় এফআইআর করে পরিবার। তরুণীর আইনজীবীর দাবি, তিনি গর্ভপাত করাতে চান।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, দু’জনের সম্মতিক্রমেই সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। তারা মেডিক্যাল বোর্ডের মতামতের কথাও উল্লেখ করেছে। মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়েছে, তরুণীর গর্ভপাত করাতে গেলে সন্তানের অপরিণত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর যেহেতু ভ্রূণ সুস্থ, তাই গর্ভপাতের অনুমতি দেয়নি আদালত।