ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
জনগণনার জন্য এ বছরের কেন্দ্রীয় বাজেটে ৬০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘ ১৫ বছর পরে আগামী ১ এপ্রিল থেকে দেশে পুরোদস্তুর শুরু হবে ষোড়শ জনগণনার প্রথম পর্যায়।
২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে জনগণনা, সমীক্ষা এবং পরিসংখ্যান/রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (আরজিআই)-এর জন্য মোট ৬০০০ কোটি বরাদ্দের উল্লেখ রয়েছে। গত বছরের বাজেটে এই দফতরের জন্য জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ১,০৪০ কোটি টাকা। এ বার এই খাতে বরাদ্দ প্রায় ছ’গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে জনগণনার কাজের জন্যই এই বরাদ্দ করা হল বলে মনে করা হচ্ছে।
বাজেটের নথিতে বলা হয়েছে, এই টাকা রেজিস্ট্রার জেনারেল এবং জনগণনা কমিশনারের দফতরে এবং আরজিআই-এর বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে জাতীয় জনসংখ্যা রেজিস্টার (এনপিআর) এবং ২০২৭ সালের জনগণনার খরচও রয়েছে।
দেশে শেষ বার জনগণনা হয়েছে ২০১১ সালে। নিয়ম অনুযায়ী, ১০ বছরের ব্যবধানে আবার ২০২১ সালে জনগণনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিড অতিমারির কারণে নির্দিষ্ট সময়ে তা আয়োজন করা যায়নি। নির্ধারিত সময়ের ছ’বছর পরে অবশেষে জনগণনা হবে ভারতে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে থাকা আরজিআই প্রায় ৩৪ লক্ষ গণনাকারী নিয়োগ করতে পারে জনগণনার জন্য। তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করবেন।
এ বছরই প্রথম বার দেশে ডিজিটাল জনগণনা হবে। প্রাথমিক ভাবে সকল গণনাকারীকে মোবাইলের মাধ্যমেই তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এই কাজে নিজেদের স্মার্টফোন ব্যবহার করবেন। এর পর নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সার্ভারে সেই তথ্য আপলোড করবেন। অ্যাপে তথ্যগুলি দেখা যাবে ইংরেজি এবং প্রত্যেক আঞ্চলিক ভাষায়। অ্যান্ড্রয়েড এবং আইফোনের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য। কিন্তু যদি কোনও কারণে কেউ খাতায়কলমে তথ্য গ্রহণ করেন, তবে তাঁকে নির্দিষ্ট ওয়েব পোর্টালে সরাসরি তা নথিভুক্ত করতে হবে। এতে জটিলতা, ভুলের সম্ভাবনা অনেক কমবে।