Veer Soren Death

পাহাড় থেকে নেমেই মাথাযন্ত্রণা, মুখ থেকে ফেনা! মনালীতে মৃত ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ১৯ বছরের নাতি

চম্পই একসময় ঝাড়খণ্ডের বর্তমান শাসকদল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। ২০২৪ সালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি। পাহাড়ে ঘুরতে গিয়ে তাঁর নাতির মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:৫৮
(বাঁ দিকে) মৃত যুবক বীর সোরেন। তাঁর দাদু ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পই সোরেন (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) মৃত যুবক বীর সোরেন। তাঁর দাদু ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পই সোরেন (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চম্পই সোরেনের নাতি বীর সোরেনের (১৯) মৃত্যু হয়েছে। বন্ধুদের সঙ্গে মনালীতে ঘুরতে গিয়েছিলেন যুবক। পাহাড় থেকে নেমে আসার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়়েন। তাঁর বন্ধুরা জানিয়েছেন, মাথায় যন্ত্রণা অনুভব করছিলেন বীর। পরে সংজ্ঞা হারান এবং বিছানা থেকে নীচে পড়ে যান। তাঁর মুখ থেকে ফেনা বেরিয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। কী কারণে এই মৃত্যু, এখনও স্পষ্ট নয়।

Advertisement

চম্পই একসময় ঝাড়খণ্ডের বর্তমান শাসকদল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে বিজেপিতে যোগ দেন। হেমন্ত সোরেনের গ্রেফতারির পর ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন চম্পই। পদে ছিলেন ৩ জুলাই পর্যন্ত। তাঁর নাতির মৃত্যুতে সমাজমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্তও।

জানা গিয়েছে, হিমাচল প্রদেশের কুল্লু জেলার মনালী শহরে গিয়েছিলেন বীর। সেখান থেকে সোলাং ও হামতা পাস ঘুরে আসেন। মঙ্গলবার পাহাড় থেকে মনালী শহরে নেমে আসার পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন বীর। বন্ধুদের জানিয়েছিলেন, প্রচণ্ড মাথা যন্ত্রণা করছে। তাঁকে ওষুধ দেওয়া হয়। কিন্তু কিছু ক্ষণের মধ্যেই যুবক সংজ্ঞা হারান এবং বিছানা থেকে মেঝেতে পড়ে যান। এই সময়ে তাঁর মুখ থেকে ফেনা বেরিয়ে গিয়েছিল। বন্ধুরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে লাভ হয়নি তাতে। বীরের বন্ধুরা পুলিশকে লিখিত ভাবে এই কথা জানিয়েছেন।

প্রাথমিক ভাবে যুবকের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পায়নি পুলিশ। মনালীর ডিএসপি কেডি শর্মা বুধবার সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন, যুবকের দেহ তাঁর দাদুর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যেরা ময়নাতদন্তে সায় দেননি। তাঁরা জানিয়েছেন, তাঁরা কাউকে সন্দেহ করেন না। এই মৃত্যুকে ‘অস্বাভাবিক’ বলে মনেও করেন না। মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট না হলেও উচ্চতার কারণে অসুস্থতা এবং তা থেকে মৃত্যুর সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সূত্রের খবর, হাসপাতালে চিকিৎসকেরা সিপিআর-এর মাধ্যমে যুবককে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাঁকে বাঁচানো যায়নি।

Advertisement
আরও পড়ুন