Delhi Hotel Fire

কার গাফিলতিতে আগুন ছড়িয়েছিল? দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের অনুসন্ধানে মিলল নয়া সূত্র, গ্রেফতার রাঁধুনি

বুধবার দিল্লির মালব্যনগরের ওই হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১১ জন বিদেশি। সেই ঘটনায় আগেই হোটেল মালিক লভকেশ বজাজকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬ ১৮:৩৯
Cook arrested in Delhi hotel fire case

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার রাঁধুনি। ছবি: সংগৃহীত।

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে নয়া মোড়। পুলিশ ওই হোটেলের রাঁধুনি কেশব নেগিকে গ্রেফতার করেছে। তদন্তকারীদের মতে, ওই রাঁধুনির গাফিলতির কারণেই অগ্নিকাণ্ড। শুধু রাঁধুনি নন, এই ঘটনায় আরও কয়েক জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

Advertisement

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে আগেই মালিক লভকেশ বজাজকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দিল্লির মালব্যনগরের ওই হোটেলের অগ্নিকাণ্ডে ২১ জনের মৃত্যু হয়। তাঁদের মধ্যে ১১ জন বিদেশি। পুলিশ সূত্রে খবর, আগুন লাগার পর প্রাণ বাঁচাতে তড়িঘড়ি হোটেল ছেড়েছিলেন কেশব। ঘটনার পর এনডিটিভি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, হোটেলের রান্নাঘরের ইলেকট্রিক ওভেন চালু করার সঙ্গে সঙ্গেই সেটি বিস্ফারিত হয়। সঙ্গে সঙ্গে তিনি হোটেলের মূল বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করে দেন এবং ঘটনাস্থল থেকে পালান।

তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় হোটেলের বৈদ্যুতিক দরজাগুলি বিকল হয়ে পড়ে। ফলে অনেকেই আটকা পড়ে যান। এই সব তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের মনে হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের পর কেশবের গাফিলতির কারণেই এত জনের মৃত্যু হয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই হোটেলের নিরাপত্তা, অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। উঠছে একাধিক গাফিলতির বিষয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই হোটেলে সমস্ত জানলা পাকাপাকি ভাবে বন্ধ ছিল। ঢোকা-বেরোনোর দরজা ছিল মাত্র একটি। সূত্রের খবর, দিল্লি সরকারের বেড অ্যান্ড ব্রেকফ্রাস্ট (বি অ্যান্ড বি) প্রকল্পের আওতায় ওই হোটেলকে ছ’টি ঘর বানানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, বেআইনি ভাবে ২৫টি ঘর বানিয়ে চলছিল ব্যবসা। ওই হোটেলে পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ছিল না বলেই জানা গিয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন