—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
গত শুক্রবার ছিল গুড়িয়া দেবীর (২২) প্রথম বিবাহবার্ষিকী। সেই রাতেই শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করল পুলিশ। গুড়িয়ার বাপের বাড়ির অভিযোগ, মেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে ঝুলিয়ে দিয়েছেন শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। মৃত্যুর সময়ে গুড়িয়া তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। পুলিশ তাঁর মৃতদেহ উদ্ধারের আগেই শ্বশুরবাড়ির সদস্যেরা ফেরার হয়েছেন। বিহারের গোপালগঞ্জের ঘটনা।
গুড়িয়ার বাপের বাড়ির লোকেদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে পণের জন্য তাঁদের মেয়ের উপরে মানসিক নির্যাতন শুরু করেন স্বামী মণীশ কুয়ঁর। অন্তঃসত্ত্বা হাওয়ার পরে তা কমেনি, উল্টে বায়না আরও বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে শারীরিক অত্যাচার। মণীশের দাবি ছিল, তাঁকে মোটরবাইক এবং সোনার হার দিতে হবে। যদিও বিয়ের আগে সাধ্য মতো পণ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি গুড়িয়ার বাড়ির লোকেদের। গত শুক্রবার গুড়িয়া মারা যান। তাঁর বিয়ে হয়েছিল ২০২৫ সালের ৮ মে।
তদন্তে যুক্ত পুলিশ অফিসার রাজেশ কুমার জানিয়েছেন, ঘটনার কথা জানার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে গুড়িয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করেন তাঁরা। ময়না তদন্ত হয়ে গেলে মৃত্যুর কারণ আরও স্পষ্ট হবে।