ছবি: (এআই সহায়তায় প্রণীত)।
হিন্দু ধর্মে চন্দনের গুরুত্ব বিশেষ। সনাতন ধর্মে যে কোনও শুভ কাজ থেকে পুজো, চন্দন ব্যতিরেকে ভাবাই যায় না। যে কোনও বিশেষ কাজকে শুভ করে তোলে চন্দন। এই বিশ্বাস মনে রেখেই সেটিকে আমরা ব্যবহার করি। রূপচর্চার জগতেও চন্দনের জুড়ি মেলা ভার। তবে অনেকেই জানেন না যে শায়িত ভাগ্যকে জাগ্রত করতেও কার্যকরী চন্দন। বিভিন্ন গ্রহের অশুভ প্রভাব থেকে বাস্তুদোষ, চন্দনের গুণে সবই কেটে যায়। মানতে হয় বিশেষ কিছু উপায়। সেগুলি সম্বন্ধে জেনে নিন।
চন্দনের উপায়:
১. শাস্ত্রমতে, বৃহস্পতির সঙ্গে চন্দনের সম্পর্ক রয়েছে। প্রতি বৃহস্পতিবার কপালে সাদা বা লাল চন্দনের তিলক লাগালে বৃহস্পতি গ্রহ শক্তিশালী হয়।
২. শুক্র শক্তিশালী হলে জীবন প্রেম-ভালবাসায় ভরে ওঠে। প্রতি শুক্রবার করে সাদা চন্দনের টিকা লাগালে এবং স্নানের জলে চন্দন মিশিয়ে স্নান করলে শুক্র গ্রহের স্থান উন্নত হয়।
৩. প্রতি দিন বাইরে যাওয়ার আগে কপালে এবং গলায় সাদা চন্দনের টিকা লাগিয়ে বেরোলে কোষ্ঠীতে চাঁদের স্থান উন্নত হয়। এর ফলে আবেগের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। মেজাজও নিজের বশে থাকে।
৪. বাড়িতে শুভ শক্তি বৃদ্ধির জন্য যে কোনও সপ্তাহের বৃহস্পতিবার বাজার থেকে এক টুকরো লাল বা সাদা চন্দনকাঠ কিনে আনুন। তার পর সেটিকে লক্ষ্মীর চরণের সামনে রেখে পুজো করুন। পরদিন সেটি তুলে একটা লাল কাপড়ে বেঁধে সদর দরজার উপর ঝুলিয়ে রাখুন। নেগেটিভ শক্তি বাড়িতে প্রবেশ করতে পারবে না। শুভ শক্তির সঞ্চার ঘটবে।
৫. ধনসম্পদ লাভের জন্য লাল কাপড়ে চন্দনকাঠ বেঁধে লক্ষ্মীদেবীর চরণে রেখে পুজো করুন। তার পর সেটি তুলে টাকা রাখার জায়গায় রেখে দিন। অর্থকষ্ট জীবন থেকে বিদায় নেবে। সমৃদ্ধি লাভ করবেন।
৬. শিশুদের কুনজর থেকে বাঁচাতে প্রতি দিন তাঁদের কপালে চন্দনের ফোঁটা দিন। এ ছাড়া চন্দন গাছের ছাল পুড়িয়ে সেই ধোঁয়া দিয়ে বরণ করলেও নজরদোষ কেটে যায় বলে জানাচ্ছে শাস্ত্র।
৭. বাস্তুদোষ দূর করতেও কার্যকরী চন্দন। চন্দনের গুঁড়ো, অশ্বগন্ধা ও কর্পূর মিশিয়ে ৪০ দিন হোম করলে বাস্তুদোষ দূর হয়।