Flight Service

৯ দেশের আকাশ সীমায় ঢোকা নিষিদ্ধ

বিভিন্ন দেশের রাডার ব্যবস্থায় যাত্রিবাহী উড়ান চিনতে গিয়ে ভুল হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। ওই ব্যবস্থার ত্রুটিতে আমেরিকার সামরিক বিমানও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নিশানার মুখে পড়েছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২১ মার্চ ২০২৬ ০৮:৩৭

—প্রতীকী চিত্র।

পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের পরিস্থিতি বাড়তে থাকায় নিরাপত্তাজনিত কারণে বৃহস্পতিবার ওই অঞ্চলের নয়টি দেশের আকাশ সীমা এড়িয়ে চলার জন্য ভারতীয় বিমান সংস্থা গুলিকে নির্দেশ দিয়েছে বিমান পরিবহণ নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ। ইরানে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সাম্প্রতিক বিমান হানার প্রেক্ষিতে পাল্টা হানার আশঙ্কায় ওই সব দেশের আকাশ সীমা নিরাপদ নয় বলে মনে করছে ডিজিসিএ।

যে সব দেশের আকাশ সীমা এড়িয়ে চলার পশ্চিম এশিয়ার ওই সব দেশ হল বাহরিন, ইরান, ইরাক, ইজ়রায়েল, জর্ডন, কুয়েত, লেবানন, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। এ ছাড়াও ওমান এবং সৌদি আরবের আকাশ সীমা ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত আরোপ করা হয়েছে। ওই দু’দেশে ৩২ হাজার ফুটের কম উচ্চতায় যাত্রিবাহী উড়ানের ওড়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি হলে ওই দুই দেশের আকাশ পথেও নিষেধাজ্ঞা জারির আশঙ্কা থাকছে।

যুদ্ধে আকাশ প্রতিরক্ষায় যে ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে ৪০ হাজার ফুট পর্যন্ত কোনও উচ্চতাই নিরাপদ নয়, জানিয়েছে ডিজিসিএ।

পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাডার ব্যবস্থায় যাত্রিবাহী উড়ান চিনতে গিয়ে ভুল হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। ওই ব্যবস্থার ত্রুটিতে আমেরিকার সামরিক বিমানও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নিশানার মুখে পড়েছে।

সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন অব অ্যাভিয়েশন সেফটি এজেন্সি সতর্কতা জারি করেছে। তা খুঁটিয়ে দেখে ডিজিসিএ-র পক্ষ থেকে যাত্রিবাহী বিমানের সুরক্ষায় ওই নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। অতীতে যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের বিমান এম এইচ-১৭, ২০১৪ সালে ২৮৩ জন যাত্রী নিয়ে ইউক্রেনের কাছে ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনায় ২৮৩ জন যাত্রী ছাড়াও ১৫ জন বিমান কর্মী নিহত হন।

আরও পড়ুন