ডিকে শিবকুমার। — ফাইল চিত্র।
কর্নাটকে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের (সিএলপি) নেতা হিসাবে বেছে নেওয়া হল ডিকে শিবকুমারকে। আগামী ৩ জুন, বুধবার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেবেন তিনি।
শনিবার কর্নাটকে কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের বৈঠকে শিবকুমার ছাড়াও ছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। এ ছাড়াও ছিলেন কর্নাটকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সিংহ সুরজেওয়ালা এবং দলের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল। ওই বৈঠকে সিদ্দারামাইয়া পরবর্তী সিএলপি নেতা হিসাবে শিবকুমারের নাম প্রস্তাব করেন। সকলে সম্মতি দেওয়ায় শিবকুমারের নাম ঘোষণা করেন সিদ্দারামাইয়া। পরে নতুন সরকার গঠনের দাবি জানাতে রাজ্যপাল থাওরচন্দ্র গহলৌতের কাছে যান শিবকুমার।
কংগ্রেস হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিদ্দারামাইয়া। বৃহস্পতিবার লোক ভবনে গিয়ে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফাপত্র জমা দেন তিনি। তবে রাজ্যপাল লোক ভবনে না-থাকায় বৃহস্পতিবার তাঁর ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়নি। শুক্রবার তা গ্রহণ করেছেন রাজ্যপাল।
সিদ্দারামাইয়া বৃহস্পতিবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেও তিনি সক্রিয় রাজনীতিতেই থাকছেন। সেই সঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ‘‘জাতীয় রাজনীতি নয়, আমার মূল মনোযোগ রাজ্য রাজনীতিতেই থাকবে।’’ কংগ্রেস সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়ার বিনিময়ে সিদ্দারামাইয়াকে হাইকমান্ডের তরফে কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি (ঘটনাচক্রে, যে পদে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পদে সিদ্দারামাইয়ার উত্তরসূরি ডিকে শিবকুমার) অথবা রাজ্যসভা সাংসদের পদ বেছে নিতে বলা হয়েছিল। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, সংসদের উচ্চকক্ষে যাচ্ছেন না তিনি।