Twisha Sharma Death

কী ভাবে দেহ নামানো হয়েছিল? ত্বিশার শাশুড়ি এবং স্বামীকে ভোপালের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণে সিবিআই

সূত্রের খবর, ত্বিশার স্বামী তদন্তকারীদের কাছে জেরায় দাবি করেছেন, ছাদে ত্বিশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে তড়িঘড়ি তাঁর দেহকে উপরের দিকে তুলে ধরেছিলেন যাতে ফাঁস আলগা হয়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০২৬ ১৩:০৬
স্বামী সমর্থ সিংহের সঙ্গে ত্বিশা। ছবি: সংগৃহীত।

স্বামী সমর্থ সিংহের সঙ্গে ত্বিশা। ছবি: সংগৃহীত।

ভোপালের ত্বিশা শর্মার মৃত্যুতে অভিযুক্তদের নিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ শুরু করেছে সিবিআই। তিনটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। আর সেই উত্তর খুঁজতেই ত্বিশার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, ত্বিশার শাশুড়ি গিরিবালা সিংহ এবং স্বামী সমর্থকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। শুধু তা-ই নয়, মৃত্যুর পর ত্বিশার দেহ ঝুলন্ত অবস্থা থেকে কী ভাবে নামানো হয়েছিল, সেই ঘটনারও পুনর্নির্মাণ করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

সূত্রের খবর, ত্বিশার স্বামী তদন্তকারীদের কাছে জেরায় দাবি করেছেন, ছাদে ত্বিশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে তড়িঘড়ি তাঁর দেহকে উপরের দিকে তুলে ধরেছিলেন যাতে ফাঁস আলগা হয়। তাঁর মা দড়ির ফাঁস খোলেন। তার পর দু’জনে মিলে ধরাধরি করে ত্বিশাকে নামান। সূত্রের খবর, সেই ঘটনার পুনর্নির্মাণে ৮০ কেজি ওজনের একটি বস্তুকে ঝোলানো হবে ফাঁস লাগিয়ে। ঠিক যে ভাবে ত্বিশাকে ঝুলতে দেখা গিয়েছিল। তার পর তদন্তকারীরা দেখবেন, কী ভাবে ওই বস্তুটিকে গিরিবালা এবং সমর্থ ফাঁস খুলে নীচে নামান। ওই সূত্রের দাবি, জেরায় সমর্থ যা দাবি করেছেন, তার সঙ্গে বাস্তবের কোনও অসঙ্গতি রয়েছে কি না, তা বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

সূত্রের খবর, গিরিবালাকেও বলা হতে পারে কী ভাবে তিনি ত্বিশার গলা থেকে দড়ির ফাঁস খুলেছিলেন। যে বেল্ট ব্যবহার করে ত্বিশাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে, কতটা ওজন ধরে রাখতে সক্ষম সেটি, তার শক্তিপরীক্ষা করেও দেখা হবে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ত্বিশার শাশুড়িকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। গিরিবালা এবং সমর্থ দু’জনকেই ২ জুন পর্যন্ত নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। প্রসঙ্গত, গত ১২ মে ত্বিশার মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুরহস্যের জট এখনও খোলেনি। সেই রহস্যের জট খুলতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ, ‘টানেল ভিউ’-এর মতো পদ্ধতি প্রয়োগ করছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
আরও পড়ুন