Corporate

ভুয়ো পে স্লিপ বানিয়ে আট লক্ষ টাকা বার্ষিক বেতন বাড়িয়ে নিলেন যুবক! কর্মীকে ‘কর্পোরেট গোখরো’ তকমা দিল নেটপাড়া

এক কর্পোরেট কর্মীর দাবি, চাকরি পরিবর্তনের সময় আরও ভাল অফারের জন্য দর কষাকষি করতে তিনি তার বার্ষিক বেতন ৪ লক্ষ টাকার বদলে ৭ লক্ষ টাকা দেখিয়েছেন। তার জন্য প্রযুক্তির সাহায্যে পে-স্লিপে কারসাজিও করেছেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০২৬ ১৬:২২
Controversy erupts as corporate employee claims to edit Payslip to raise the annual package

ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে যেখানে দাবি করা হয়েছে যে এক কর্পোরেট কর্মী তাঁর পে-স্লিপে কারসাজি করে ৪ লক্ষ টাকা বার্ষিক বেতনের প্যাকেজকে ১২ লক্ষ টাকা বার্ষিক বেতনের অফারে পরিণত করেছেন। সেই পোস্টকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়েছে। ওই কর্মীকে ‘কর্পোরেট গোখরো’ তকমা দিয়েছেন নেটাগরিকেরা। বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন ইনস্টাগ্রামের নেটপ্রভাবী অনমোল গর্গ এক বেনামি ব্যক্তির পাঠানো একটি মেসেজের স্ক্রিনশট শেয়ার করেন।

Advertisement

মেসেজে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, চাকরি পরিবর্তনের সময় আরও ভাল অফারের জন্য দর কষাকষি করতে তিনি তার বার্ষিক বেতন ৪ লক্ষ টাকার বদলে ৭ লক্ষ টাকা দেখিয়েছেন। তার জন্য প্রযুক্তির সাহায্যে পে-স্লিপে কারসাজিও করেছেন তিনি। ভাইরাল হওয়া মেসেজ অনুযায়ী, ওই কৌশলে লাভ হয়েছে ওই কর্মীর। নিয়োগকারীদের তিনি তাঁর বর্তমান বেতনের উপর ২০ শতাংশের বেতন বৃদ্ধির কথা বলেছিলেন। সংস্থা তাঁর সেই প্রস্তাবে রাজি হয়। কর্মীর বেতন চার লক্ষ থেকে বেড়ে বার্ষিক ৮.৫ লক্ষ টাকায় পৌঁছোয়। যদিও নিয়োগকারী সংস্থা ভুয়ো রসিদ দেখে ভেবেছিল যে, আগের সংস্থায় ৭ লক্ষ বেতন পেতেন তিনি। ওই কর্মীর দাবি, এর পর তিনি অন্য একটি চাকরির ইন্টারভিউতেও সেই অফার লেটারটি ব্যবহার করেন এবং অবশেষে বার্ষিক ১২ লক্ষ টাকার একটি চূড়ান্ত বেতন প্যাকেজ নিশ্চিত করেন।

ওই কর্মীর স্ক্রিনশটটি শেয়ার করে অনমোল লিখেছেন, “ভগবান সব দেখছেন।” কর্মীর ওই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যে তিনি সহমত নন, তা-ও বুঝিয়ে দিয়েছেন নেটপ্রভাবী। অনমোলের পোস্টটি ভাইরাল হতেই সমাজমাধ্যম জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার বন্যা বয়ে গিয়েছে। নেটাগরিকদের একাংশ ওই পদক্ষেপকে অসৎ এবং প্রতারণামূলক বলে সমালোচনা করলেও অন্য একাংশ যুক্তি দিয়েছেন, সংস্থাগুলি নিজেরাই কর্মীদের কম বেতন দেয় এবং ভাল আয়ের জন্য কর্মীদের এই রকম পন্থা অবলম্বনে বাধ্য করে। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘খুবই অনৈতিক কাজ! দয়া করে ওই কর্মীর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাঁর সংস্থায় জমা দিন।’’ অন্য এক জন আবার লিখেছেন, ‘‘এ তো কর্পোরেটের কোবরা। নিজের পাশাপাশি সংস্থারও নাম খারাপ করবে।’’ তৃতীয় এক নেটাগরিকের মন্তব্য, ‘‘ঠিকই করেছে। সংস্থাগুলি কর্মীদের যে ভাবে শোষণ করে, সে জায়গায় দাঁড়িয়ে কারচুপি করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।’’

Advertisement
আরও পড়ুন