Noida Protest

নয়ডার অশান্তিতে শ্রমিকদের হাত ছিল না! প্রতিবাদকে হিংসায় বদলে দেন কিছু ‘বহিরাগত’, ধৃত ৬৬ জনের ৪৫ জনই শ্রমিক নন

উত্তরপ্রদেশ সরকারের দাবি, এটি পুরোপুরি পরিকল্পিত একটি চক্রান্ত। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলাকে ভেঙে দেওয়ার একটা চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তা শক্ত হাতে দমন করা হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১২:১৩
নয়ডার অশান্তিতে বহিরাগতদের হাত! দাবি উত্তরপ্রদেশের সরকারের। ছবি: পিটিআই।

নয়ডার অশান্তিতে বহিরাগতদের হাত! দাবি উত্তরপ্রদেশের সরকারের। ছবি: পিটিআই।

উত্তরপ্রদেশের নয়ডায় শ্রমিক বিক্ষোভকে অশান্তিতে বদলে দেওয়ার নেপথ্যে হাত ছিল ‘বহিরাগতদের’। এমনই দাবি করেছে রাজ্য সরকার। তাদের দাবি, ওই জেলায় হিংসা ছড়ানোর ঘটনায় যে ৬৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৪৫ জনই শ্রমিক নন। আর এখান থেকেই স্পষ্ট, নয়ডার অশান্তিতে শ্রমিকদের কোনও ভূমিকা ছিল না। বরং বহিরাগত কিছু দুষ্কৃতী শ্রমিকের ভিড়ে মিশে গিয়ে শহরের নানা প্রান্তে অশান্তির আগুন ছড়িয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

Advertisement

সরকারের আরও দাবি, এটি পুরোপুরি পরিকল্পিত একটি চক্রান্ত। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলাকে ভেঙে দেওয়ার একটা চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তা শক্ত হাতে দমন করা হয়েছে। শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে রাজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টির ছক কষা হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি এখন পুরোটাই স্বাভাবিক। দু’দিন আগে রাজ্য পুলিশ দাবি করেছিল, সোমবার অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার পরিকল্পনা হয়েছিল রবিবার রাতেই। রাতারাতি বিভিন্ন হোয়াট্‌সঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়। শ্রমিকদের সেই গ্রুপে যুক্ত করা হয়। তার পর উস্কানিমূলক বার্তা সেই গ্রুপে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। ব্যবহার করা হয়েছিল কিউআর কোডও। সেই দাবির ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরকার দাবি করল নয়ডায় অশান্তিতে কোনও শ্রমিকের হাত ছিল না। কিছু বহিরাগত এই অশান্তির নেপথ্যে ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতিবাদের নামে ভাঙচুর, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা এবং আগুন লাগানোর ঘটনায় ১৭ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। যাঁদের মধ্যে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হিংসা ছড়ানোর অভিযোগে ৩২ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। যাঁদের মধ্যে ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ছাড়াও ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে চার জন গ্রেফতার হয়েছেন। পুলিশের দাবি, এই চার জনই পুরো ঘটনার নেপথ্যে ছিলেন। তাঁরাই ‘মূলচক্রী’।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বুধবার রাতে নয়ডার পরিস্থিতির খবর নিয়েছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, যাঁরা বিভ্রান্তিমূলক তথ্য এবং হিংসা ছড়ানোয় মদত দিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। সমাজমাধ্যমে অনবরত নজরদারি চালাতে হবে। এই হিংসা ছড়ানোয় যাঁদের বহিরাগত হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাঁদের ছবি ছাপিয়ে সর্বত্র টাঙিয়ে দিতে হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন