Faridabad Murder

৫০ পর্যন্ত লিখতে পারেনি কেন, রাগের বশে চার বছরের কন্যাকে মারধর বাবার, মৃত্যু শিশুটির

পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলার বাসিন্দা কৃষ্ণ। ফরিদাবাদে স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। কৃষ্ণ এবং তাঁর স্ত্রী দু’জনেই ফরিদাবাদে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তাঁরা দু’জনে পালা করে মেয়ের দেখাশোনা করতেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৬
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

নিজের চার বছরের মেয়েকে পড়াতে বসেছিলেন যুবক। এক এক করে এক একটি বিষয় নিয়ে মেয়েকে পড়াচ্ছিলেন তিনি। তার পর মেয়েকে অঙ্ক করাতে বসেন। তাকে বলেছিলেন, ১ থেকে ৫০ পর্যন্ত লিখতে হবে। মেয়েটি লেখাও শুরু করেছিল। কিন্তু কয়েকটি সংখ্যা লেখার পরই সে আর এগোতে পারছিল না। পরের সংখ্যা মনে পড়ছিল না তার।

Advertisement

সাধারণত, শিশুরা ভুলে গেলে, তাদের ধরিয়ে দিলেই আবার তার মনে পড়ে যায়। বাবা-মা থেকে শিক্ষকেরা সকলেই এ কাজ করে থাকেন। কিন্তু হরিয়ানার ফরিদাবাদে এক বাবার ক্ষেত্রে কিন্তু বিষয়টি ঠিক সে রকম হয়নি। মেয়ে ৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় তাঁকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল বাবার বিরুদ্ধে। অভিযুক্তের নাম কৃষ্ণ জয়সওয়াল। তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের সোনভদ্র জেলার বাসিন্দা কৃষ্ণ। ফরিদাবাদে স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। কৃষ্ণ এবং তাঁর স্ত্রী দু’জনেই ফরিদাবাদে বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। তাঁরা দু’জনে পালা করে মেয়ের দেখাশোনা করতেন। কৃষ্ণের স্ত্রী দিনে অফিস করেন। ফলে ওই সময় মেয়েকে দেখাশোনা করতেন কৃষ্ণ। আর স্ত্রী বাড়ি ফিরলে রাতে কাজে যেতেন কৃষ্ণ। গত ২১ জানুয়ারি মেয়েকে পড়াতে বসেছিলেন কৃষ্ণ। মেয়ে ৫০ পর্যন্ত লিখতে না পারায় মেজাজ হারিয়ে ফেলেন তিনি। তার পর মেয়েকে মারধর করেন। তার জেরেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে সন্দেহ পুলিশের। সন্ধ্যায় কৃষ্ণের স্ত্রী বাড়িতে ফিরে মেয়ের দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। গ্রেফতার করে কৃষ্ণকে।

Advertisement
আরও পড়ুন