India Pakistan Conflict

পাকিস্তানের কোথায় কোথায় পরমাণুকেন্দ্র? দিল্লিকে হিসাব দিল ইসলামাবাদ, চুক্তির শর্ত মেনে তালিকা দেখাল ভারতও

১৯৮৮ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরমাণুকেন্দ্র সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেই চুক্তির শর্ত মেনে বৃহস্পতিবার, বছরের প্রথম দিনে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ তালিকা বিনিময় করল।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৩৮
(বাঁ দিকে) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরমাণুকেন্দ্র সংক্রান্ত তালিকা বিনিময় হয়েছে বৃহস্পতিবার। চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি বছর ১ জানুয়ারি দুই প্রতিবেশী দেশ নিজেদের পরমাণুকেন্দ্র, পারমাণবিক সুযোগ-সুবিধার হিসাব একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেয়। এ বছর নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপড়েন সত্ত্বেও সেই নিয়মে ব্যতিক্রম হল না।

Advertisement

১৯৮৮ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরমাণুকেন্দ্র সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তাতে বলা হয়, যে কোনও পরিস্থিতিই তৈরি হোক না কেন, দুই দেশের কেউ একে অপরের পরমাণুকেন্দ্রে আক্রমণ করবে না। চুক্তি স্বাক্ষরকারী কোনও দেশের দ্বারা অপর দেশটির পরমাণুকেন্দ্রের কোনও ক্ষতি যেন না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি জারি করে তালিকা বিনিময়ের কথা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘‘নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদে অবস্থিত কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান পরস্পরের সঙ্গে পারমাণবিক কেন্দ্রের তালিকা বিনিময় করেছে। পারমাণবিক কেন্দ্রে আক্রমণ নিষিদ্ধকরণের চুক্তি অনুযায়ী এই তালিকা বিনিময় করা হয়েছে।’’

ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের মধ্যে পরমাণুকেন্দ্রের এই চুক্তি ১৯৮৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তা কার্যকর হয় ১৯৯১ সালের ২৭ জানুয়ারি। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র প্রথম বার নিজেদের মধ্যে পরমাণুকেন্দ্রের তালিকা বিনিময় করে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি। সেই থেকে টানা ৩৪ বছর ধরে নিয়মটি মানা হচ্ছে। কখনও কোনও পরিস্থিতিতেই তাতে ছেদ পড়েনি।

চুক্তিতে পরমাণুকেন্দ্র বলতে কী বলা হয়েছে? পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র, গবেষণাকেন্দ্র, জ্বালানি উৎপাদনের ইউনিট, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণ ক্ষেত্র, আইসোটোপ পৃথকীকরণকেন্দ্র। এ ছাড়া, যে সমস্ত কেন্দ্রে তেজস্ক্রিয় পদার্থ সংরক্ষণ করা থাকে, সেগুলিও এই চুক্তির আওতায় পড়ে। দেশের ঠিক কোন কোন জায়গায় এই ধরনের কেন্দ্র রয়েছে, অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ উল্লেখ করে তার নিখুঁত অবস্থান প্রতি বছর ভারত ও পাকিস্তান একে অপরকে দিয়ে থাকে। বৃহস্পতিবারও তা-ই করা হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন