Indus Water Treaty

কূটনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেই পাকিস্তানকে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আগেভাগে সতর্ক করল ভারত

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যুর পরে সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত করেছে ভারত। তা নিয়ে কূটনৈতিক চাপানউতর অব্যাহত। সূত্রের খবর, এই আবহে পাকিস্তানকে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়ে আগেভাগে সতর্ক করেছে দিল্লি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ অগস্ট ২০২৫ ১৭:০৪
বন্যার কবলে পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা।

বন্যার কবলে পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা। ছবি: রয়টার্স

পহেলগাঁও হামলার পর থেকে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক চাপানউতর চলছে। নয়াদিল্লি সিন্ধুচুক্তি স্থগিত করার পরে সেই চাপানউতর আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই আবহে ‘সৌহার্দ্যমূলক’ পদক্ষেপ করল ভারত। তাওয়ি নদীর জলে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে রবিবার পাকিস্তানকে আগেভাগে সতর্ক করল নয়াদিল্লি। ইসলামাবাদে ভারতীয় হাই কমিশনের মাধ্যমে বিষয়টি পাকিস্তানকে জানানো হয়। প্রশাসনিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে পাকিস্তানের স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম বিষয়টি প্রকাশ করেছে। ভারত বা পাকিস্তানের তরফে সরকারি ভাবে এই নিয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি।

Advertisement

সূত্রের খবর, দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সিন্ধু জল চুক্তি অনুসারে, ভারত এবং পাকিস্তান এ ধরনের সতর্কতামূলক খবর আদান-প্রদান করতে চাইলে তা সিন্ধু জল কমিশনারদের মাধ্যমে করার নিয়ম রয়েছে। কিন্তু পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জনের মৃত্যুর পরে সেই চুক্তি স্থগিত করেছে ভারত সরকার। এই আবহে পাকিস্তানকে সম্ভাব্য প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়ে আগেভাগে সতর্ক করেছে ভারত বলে খবর। পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জম্মুতে তাওয়ি নদীতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করে পাকিস্তানকে বার্তা পাঠিয়েছে ভারত। রবিবার ইসলামাবাদস্থিত ভারতীয় হাই কমিশন এই বার্তা পাক প্রশাসনকে দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, তাওয়ি নদী ভারতের জম্মু এবং পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশের সিয়ালকোটের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। জম্মুতে এই নদী প্লাবিত হলে তার প্রভাব পড়বে পাকিস্তানের সিয়ালকোটেও। সে কারণে পাকিস্তানকে আগেভাগে ভারত সতর্ক করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইতিমধ্যেই বন্যায় বিধ্বস্ত পাকিস্তানের বহু এলাকা। ২৬ জুন থেকে লাগাতার বৃষ্টির জেরে বিপর্যয়ে সে দেশে এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৭৮৮ জন। আহত হয়েছেন প্রায় এক হাজার জন। পাকিস্তানের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের পরিসংখ্যান বলছে, বন্যায় মৃতদের মধ্যে ২০০ জন শিশু, ১১৭ জন মহিলা। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়াতে। সেখানে বৃষ্টির জেরে বিপর্যয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৪৬৯ জন।

Advertisement
আরও পড়ুন