Landslide in Sikkim

ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত সিকিম, গ্যাংটক এবং চুংথাং থেকে লাচেনের পথে বহু জায়গায় ধস, আটকে শতাধিক পর্যটক

জেলাশাসক অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, গ্যাংটক থেকে লাচেন এবং চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার পথে অনেক জায়গায় ধস নেমেছে। ফলে যে সব পর্যটকেরা লাচেন যাচ্ছিলেন, তাঁরা চুংথাংয়ে আটকে পড়েছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ মার্চ ২০২৬ ১১:০৯
উত্তর সিকিমে ধস। ছবি: সংগৃহীত।

উত্তর সিকিমে ধস। ছবি: সংগৃহীত।

ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত সিকিমের একাংশ। বহু জায়গায় ধস নামার খবর পাওয়া গিয়েছে। উত্তর সিকিমে বেশ কয়েকটি জায়গায় ধস নামার ফলে বহু পর্যটক রাস্তায় আটকে পড়েছেন।

Advertisement

জেলাশাসক অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, গ্যাংটক থেকে লাচেন এবং চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার পথে অনেক জায়গায় ধস নেমেছে। ফলে যে সব পর্যটক লাচেন যাচ্ছিলেন, তাঁরা চুংথাংয়ে আটকে পড়েছেন। শতাধিক পর্যটক সেখানে আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে রাস্তা থেকে ধস সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব সেই ধস সরিয়ে ফেলা যায় তার চেষ্টা হচ্ছে।

জেলাশাসক জৈন জানিয়েছেন, আটকে পড়া পর্যটকদের আইটিবিপি শিবির এবং গুরুদ্বারে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাচেন যাওয়ার পথ পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। রাস্তায় অনেক গাড়ি আটকে রয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতির একটু উন্নতি হলেই পর্যটকদের যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে লাচুংয়ের পথে যে ধস নেমেছিল, তা পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে। ওই পথে আটকে থাকা পর্যটকেরা গ্যাংটকে ফিরছেন ধীরে ধীরে। আবহাওয়ার পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। পর্যটকদের জন্য সতর্কবার্তাও জারি করা হয়েছে।

অন্য দিকে, আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ২৭ মার্চ দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ২৮ এবং ২৯ মার্চ এই জেলাগুলিতে ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন