খালেদা জিয়া। — ফাইল চিত্র।
সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শোক জ্ঞাপন করল লোকসভা এবং রাজ্যসভা। বিষয়টি নিছকই প্রতিবেশী কূটনীতির সৌজন্য হিসেবে সরকারি সূত্রে তুলে ধরা হলেও, ভোটমুখী টালমাটাল বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে একে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
লোকসভায় প্রয়াতদের শোকপ্রস্তাব জ্ঞাপনকালে স্পিকার ওম বিড়লা আজ বলেন, “ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।” পাশাপাশি, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান তথা উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন খালেদার শোক প্রস্তাবটি পড়েন। তাঁর কথায়, “বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি-র প্রাক্তন চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করছি। বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নয়নের প্রশ্নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”
কূটনৈতিক শিবিরের ব্যাখ্যা, আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনাকে নয়াদিল্লির আশ্রয় দেওয়া এবং তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগকে ঘিরে ভারত-বিরোধী অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের কিছু স্তরে। সম্প্রতি দিল্লির ‘ফরেন করেসপন্ডেটস ক্লাবে’ প্রকাশ্যে শোনানো হয়েছে হাসিনার অডিয়ো বক্তৃতা। সেখানে তিনি কড়া ভাষায় মুহাম্মদ ইউনূস সরকারকে নিশানা করেছিলেন। এই অবস্থায় খালেদাকে সংসদে স্মরণ করা সাউথ ব্লকের কাছে ভারসাম্য রক্ষার কৌশল।