Tamil Nadu Murder

ইনস্টাগ্রামে বন্ধুত্ব, তার পর প্রেম, মহিলাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন! পার্সেলে মঙ্গলসূত্র পাঠান স্বামীর কাছে

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম সুমতি। তাঁর স্বামী লরিচালকের কাজ করেন। কাজের সূত্রে তাঁকে বেশির ভাগ সময়েই বাইরে থাকতে হয়। ইনস্টাগ্রামে সুমতির বন্ধুত্ব হয় বেঙ্কটেশের সঙ্গে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৯
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

ইনস্টাগ্রামে মহিলার সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় যুবকের। তার পর তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমিকাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল সেই যুবকের বিরুদ্ধে। শুধু তা-ই নয়, খুনের পর প্রেমিকার মঙ্গলসূত্র খুলে তা পার্সেল করে তাঁর স্বামীর কাছে পাঠালেন। ঘটনাটি তামিলনাড়ুর মারমঙ্গলম গ্রামের। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম বেঙ্কটেশ।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম সুমতি। তাঁর স্বামী লরিচালকের কাজ করেন। কাজের সূত্রে তাঁকে বেশির ভাগ সময়েই বাইরে থাকতে হয়। ইনস্টাগ্রামে সুমতির বন্ধুত্ব হয় বেঙ্কটেশের সঙ্গে। তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বেঙ্কটেশের কফিবাগান রয়েছে। গত ২৩ ডিসেম্বর সুমতিকে নিজের কফিবাগানে ডেকে নিয়ে যান বেঙ্কটেশ। তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন।

তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, সুমতির সঙ্গে ওই দিন কথা কাটাকাটি হয় বেঙ্কটেশের। তার পরই সুমতিকে ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করেন। তাঁর গলা থেকে মঙ্গলসূত্র খুলে নেন। তার পর সুমতির দেহ বস্তায় ভরে ছ’কিলোমিটার দূরে নিয়ে গিয়ে পাহাড়ি খাদে ফেলে দিয়ে আসেন। তার পর সুমতির মঙ্গলসূত্র পার্সেল করে স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেন। ২৩ ডিসেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন সুমতি। তাঁর স্বামী একটি নিখোঁজ ডায়েরিও করেন। সুমতির খোঁজে যখন তল্লাশি চলছিল, সেই সময় তাঁর স্বামীর হাতে ওই পার্সেল পৌঁছোয়। সেটি খুলতেই মঙ্গলসূত্রটি দেখতে পান। পার্সেলটি এক বাসচালকের হাত দিয়ে সুমতির স্বামীর কাছে পৌঁছোনোর ব্যবস্থা করেন বেঙ্কটেশ। সেই বাসচালকের কাছ থেকে জানতে পারেন পার্সেল প্রেরকের নাম। তার পরই পুলিশের দ্বারস্থ হন সুমতির স্বামী। বেঙ্কটেশকে আটক করে জেরা করতেই আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। তার পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। জেরায় বেঙ্কটেশ দাবি করেছেন, ইনস্টাগ্রামে তাঁকে ব্লক করে দিয়েছিলেন সুমতি। তাঁর ফোন ধরছিলেন না। শুধু তা-ই নয়, সুমতির জন্য এক লক্ষ টাকা খরচও করেন বলে দাবি করেছেন বেঙ্কটেশ। তাঁর সেই দাবিগুলি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement
আরও পড়ুন