—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
বার বার স্ত্রীকে ফোন করেন। কিন্তু এক বারও ফোন তোলেননি স্ত্রী। রাগে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন স্বামী। অভিযোগ, স্বামীর হাতে মার খেয়ে গুরুতর জখম হন মহিলা। পরে তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের ধনপতগঞ্জ থানার সেওরা চারথাই গ্রামে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম নাকচেদ। রাজমিস্ত্রির কাজ করেন তিনি। সোমবার কাজে গিয়ে স্ত্রী কুসুমকে বার বার ফোন করেন। কিন্তু অন্য কাজে ব্যস্ত থাকায় সেই ফোন ধরতে পারেননি কুসুম। আর তাতেই রেগে যান নাকচেদ।
নাকচেদ এবং কুসুমের দুই সন্তান রয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার মধ্যরাতে বাড়ি ফিরে কুসুমকে বেধড়ক মারধর করেন নাকচেদ। সন্তানেরা বাধা দিলে, তাদের ঠেলে সরিয়ে দেওয়া হয়। কিছু ক্ষণ পরে কুসুম সন্তানদের নিয়ে এক আত্মীয়ের বাড়ি চলে যান। তবে মঙ্গলবার সকালে আবার বাড়ি ফিরলে কুসুমের উপর চড়াও হন তাঁর স্বামী। লাগাতার মারধর করায় একটা সময়ে অচৈতন্য হয়ে পড়েন কুসুম।
ওই অবস্থায় প্রতিবেশীরা দ্রুত কুসুমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় স্থানীয় থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্তকে। তদন্তে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, লাঠিপেটার কারণে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় মৃত্যু হয়েছে মহিলার। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।