Man killed Live-In Partner

একত্রবাসের সঙ্গীকে খুন! দেহ ট্রাঙ্কে ভরে পুড়িয়ে পাঠিয়েছিলেন দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়িতে, ফেরার অভিযুক্ত প্রাক্তন রেলকর্মী

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পারিহারের দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী থাকেন ঝাঁসির সিপরি বাজার এলাকায়। দ্বিতীয় স্ত্রী থাকেন কোতওয়ালি এলাকায়। পারিহার নিজে প্রীতি নামে ৩৫ বছরের এক মহিলার সঙ্গে একত্রবাস করতেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:০৭
(বাঁ দিকে) নিহত প্রীতি। অভিযুক্ত রাম সিংহ পারিহার (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) নিহত প্রীতি। অভিযুক্ত রাম সিংহ পারিহার (ডান দিকে)। ছবি: সংগৃহীত।

একত্রবাসের সঙ্গীকে খুন করে তাঁর দেহ ট্রাঙ্কে ভরে রাখার অভিযোগ উঠল অবসরপ্রাপ্ত এক রেলকর্মীর বিরুদ্ধে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেহ ট্রাঙ্কে রেখেই তাতে আগুন ধরিয়ে দেন অভিযুক্ত রাম সিংহ পারিহার। তার পরে ভস্মের কিছু অংশ উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে নদীতে ফেলে দেন। ট্রাঙ্কে পরে থাকা বাকি অংশ নিজের দ্বিতীয় স্ত্রীর বাড়িতে পাঠানোর চেষ্টা করতেই সমস্যার সূত্রপাত। পুলিশ বিষয়টি ধরে ফেলে। যদিও অভিযুক্ত এখনও ফেরার।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পারিহারের দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী থাকেন ঝাঁসির সিপরি বাজার এলাকায়। দ্বিতীয় স্ত্রী থাকেন কোতওয়ালি এলাকায়। পারিহার নিজে প্রীতি নামে এক ৩৫ বছরের মহিলার সঙ্গে একত্রবাস করতেন। পুলিশ প্রাথমিক তদন্তে জেনেছে, পারিহারের থেকে টাকা দাবি করতেন প্রীতি। ইতিমধ্যে লক্ষাধিক টাকা নিয়েছিলেন। আরও টাকা চাওয়ায় তাঁকে পারিহার খুন করেন বলে দাবি করেছেন পারিহারের দ্বিতীয় স্ত্রী।

তদন্তে নেমে পুলিশ জেনেছে, চলতি মাসের প্রথম দিকে খুনের পরে প্রীতির দেহ ট্রাঙ্কের ভিতরে আগুনে পুড়িয়ে দেন পারিহার। ভস্মীভূত দেহের কিছু অংশ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেন। বাকি অংশ ট্রাঙ্কে ভরে রাখেন। তিনি স্থির করেন, সেই ট্রাঙ্ক দ্বিতীয় স্ত্রী গীতার বাড়িতে পাঠিয়ে দেবেন। সেই মতো শনিবার রাতে গীতা এবং তাঁর পুত্র নিতিনকে ডেকে পাঠান। নিতিন কয়েক জন বন্ধুকে নিয়ে এলে তিনি ট্রাঙ্কটি তাঁদের কাছে দেন। এর পরে একটি গাড়ি ডেকে ট্রাঙ্ক-সমেত নিতিনদের তাতে তুলে দেন। ট্রাঙ্কটি গীতার বাড়িতে নামিয়ে দেওয়ার পরে গাড়ির চালক জয়সিংহ পালের সন্দেহ হয়। তিনি থানায় খবর দেন।

পুলিশ গীতার বাড়ি গিয়ে ট্রাঙ্কটি খুলতেই বেরিয়ে আসে ভস্মীভূত দেহাবশেষ। পুলিশের ফরেন্সিক দল নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে। ঝাঁসির পুলিশ সুপার প্রীতি সিংহ জানিয়েছেন, মূল অভিযুক্তের খোঁজ চলছে। তাঁর পুত্র নিতিন-সহ দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গীতার দাবি, তাঁর স্বামী জানিয়েছিলেন, প্রীতি ক্রমাগত টাকা চেয়ে চাপ দিচ্ছেন। মৃতার প্রাক্তন স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
আরও পড়ুন