Terrorist Link

চোরাপথে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গি-নিয়োগে ‘সাহায্য’! সন্দেহভাজনদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা শুরু করল নিরাপত্তাবাহিনী

সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে চলে যাওয়া এই ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগই পুঞ্চের সুরানকোট, মেন্ধার, মানসি গুরসাই এবং সাউজিয়ান এলাকার বাসিন্দা। ইতিমধ্যে এই সন্দেহভাজনদের একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:১৯
Many people who exfiltrated to Pakistan or Pakistan-occupied Kashmir are now under scanner of Security agencies

৩০০-র বেশি সন্দেহভাজন নিরাপত্তা সংস্থার নজরে। —প্রতীকী চিত্র।

চোরাপথে ভারত থেকে চলে গিয়েছেন পাকিস্তানে বা পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। এমন ৩০০-রও বেশি সন্দেহভাজনের দিকে বর্তমানে নজর রয়েছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির। ভারত থেকে পালিয়ে ওই সন্দেহভাজনেরা জঙ্গিগোষ্ঠীর হয়ে কাজ করছেন বলে অভিযোগ। জম্মু ও কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন দুই জেলা পুঞ্চ এবং রাজৌরিতে এরা মূলত মাদকসন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা করছেন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

গোয়েন্দা সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, সীমান্তের ও পার থেকে জঙ্গি কার্যকলাপে সাহায্য করছেন এই সন্দেহভাজনেরা। শুধু তা-ই নয়, কাশ্মীরি তরুণদের জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্যও মগজধোলাই করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত করার জন্য ভারতীয় তরুণদের বিভিন্ন ধরনের প্রলোভনও দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। নিরাপত্তা সংস্থার সন্দেহ, ইতিমধ্যে কয়েক জন তরুণের সঙ্গে যোগাযোগও করে থাকতে পারেন এই সন্দেহভাজনেরা।

সূত্রের খবর, সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে চলে যাওয়া এই ব্যক্তিদের মধ্যে বেশির ভাগই পুঞ্চের সুরানকোট, মেন্ধার, মানসি গুরসাই এবং সাউজিয়ান এলাকার বাসিন্দা। ইতিমধ্যে এই সন্দেহভাজনদের একটি তালিকাও তৈরি করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। তা ধরে এই ব্যক্তিদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কাজ শুরু হয়েছে বলে খবর। সম্প্রতি কাশ্মীরের পুঞ্চের গুরসাই এলাকা থেকে রফিক নাই ওরফে সুলতানের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এই সুলতানও পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীর হ্যান্ডলার বলে অভিযোগ। তিনিও চোরাপথে পাকিস্তানে পালিয়েছেন বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের।

সুলতানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। মাদক এবং অস্ত্রের চোরাচালান থেকে শুরু করে পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকে প্রশিক্ষিত জঙ্গিদের ভারতে অনুপ্রবেশে সাহায্য করা-সহ অন্য বিবিধ অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুধু সুলতানই নয়, সন্দেহভাজনের তালিকা ধরে ধরে প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপের পরিকল্পনা চলছে তদন্তকারীদের। সম্প্রতি পুঞ্চের মান্ডি এলাকাতেও জামাল লোন ওরফে জামালা নামে এক ব্যক্তিরও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সূত্রের খবর, তিনিও পাকিস্তানে পালিয়েছেন এবং ওই সন্দেহভাজনদের তালিকায় রয়েছেন।

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিকের কথায়, “এই ধরনের সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে আগামী দিনে আরও অভিযান হবে। আরও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং অভিযুক্তদের বিচারের আওতায় আনা হবে।”

Advertisement
আরও পড়ুন