Bengaluru Techie Death

রান্না করতে দেন না শাশুড়ি, হেনস্থা করেন কথায় কথায়! অভিযোগ তুলে বেঙ্গালুরুতে আত্মঘাতী তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম সুষমা। তাঁর চার বছরের এক পুত্রসন্তান আছে। সুষমার পরিবারের অভিযোগ, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে অশান্তি করতেন শাশুড়ি এবং স্বামী।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ মার্চ ২০২৬ ১৬:৫৩
সুষমা এবং তাঁর স্বামী পুণীত কুমার। শ্বশুরবাড়িতে উদ্ধার হয়েছে সুষমার দেহ। ছবি: সংগৃহীত।

সুষমা এবং তাঁর স্বামী পুণীত কুমার। শ্বশুরবাড়িতে উদ্ধার হয়েছে সুষমার দেহ। ছবি: সংগৃহীত।

পারিবারিক অশান্তির জের। বেঙ্গালুরুতে শ্বশুরবাড়ি থেকে এক মহিলা তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। উঠছে পণের দাবিতে অত্যাচারের অভিযোগও। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, রান্না করা নিয়ে শাশুড়ির সঙ্গে অশান্তির সূত্রপাত। তার পরই ওই তথ্যপ্রযুক্তির কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছে।

Advertisement

পরিবারের অভিযোগ, পুত্রবধূকে রান্না করতে দিতেন না তাঁর শাশুড়ি। তা নিয়ে প্রায়শই অশান্তি হত। শুধু তা-ই নয়, কথায় কথায় উঠতে-বসতে মহিলাকে হেনস্থা করা হত বলে অভিযোগ। মঙ্গলবারেও শাশুড়ি-বৌমার মধ্যে রান্না নিয়ে অশান্তি হয় বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। তার পরই মহিলার দেহ উদ্ধার হয় ঘর থেকে। তবে মহিলার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই নানা ভাবে হেনস্থা করা হত তাঁকে। শুধু তা-ই নয়, পণের জন্য চাপও দেওয়া হচ্ছিল বলেও অভিযোগ।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম সুষমা। পুনীত কুমারের সঙ্গে পাঁচ বছর আগে বিয়ে হয় তাঁর। দম্পতির চার বছরের এক পুত্রসন্তানও আছে। সুষমার পরিবারের অভিযোগ, ছোটখাটো বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে অশান্তি করতেন শাশুড়ি এবং স্বামী। সুষমাকে রান্নাঘরে ঢুকতে দিতেন না। এমনকি রান্না করতে গেলে তাঁকে বাধা দিতেন। মঙ্গলবার রান্না করা নিয়ে দু’জনের মধ্যে বচসা হয় বলে অভিযোগ। সুষমার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর স্বামী এবং শাশুড়িকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত সপ্তাহেই বেঙ্গালুরুতে বিদ্যাজ্যোতি নামে আরও এক তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়েছিল।

Advertisement
আরও পড়ুন