Witchcraft Murderer

‘বান্ধবীকে খুনের পরে আত্মার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টায় তন্ত্রমন্ত্র’! ইনদওরে সহপাঠী হত্যায় গ্রেফতারির পর দাবি অভিযুক্তের

বান্ধবীর অন্য কোনও যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলে সন্দেহ করতেন অভিযুক্ত। সেই রাগেই তিনি বান্ধবীকে খুন করে পালিয়ে যান বলে প্রাথমিক ভাবে জানতে পারে পুলিশ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৩৬
বান্ধবীকে খুনের পরে ‘তন্ত্রমন্ত্র’ করার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত যুবক।

বান্ধবীকে খুনের পরে ‘তন্ত্রমন্ত্র’ করার চেষ্টা করেন অভিযুক্ত যুবক। — প্রতীকী চিত্র।

বান্ধবীকে খুনের পরে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তাই ‘তন্ত্রমন্ত্র’ করে বান্ধবীর ‘আত্মা’কে ডেকে এনে কথা বলতে চাইছিলেন। গ্রেফতারির পরে এমনটাই দাবি করছেন মধ্যপ্রদেশের যুবক।

Advertisement

অভিযুক্ত যুবক মধ্যপ্রদেশের ইনদওরে এক ভাড়াবাড়িতে থাকতেন। সম্প্রতি ওই ভাড়াবাড়ি থেকেই উদ্ধার হয় তাঁর বান্ধবীর নগ্ন দেহ। ঘটনার পর থেকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না যুবকেরও। ২৪ বছর বয়সি ওই এমবিএ ছাত্রীকে তিনিই খুন করেছেন বলে সন্দেহ হয় পুলিশের। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ জানতে পারে, অভিযুক্ত যুবক মহারাষ্ট্রে পালিয়ে গিয়েছেন। সেই সূত্র ধরেই গত সোমবার মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে।

ওই যুবককে গ্রেফতারের পরে ইনদওরের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার শ্রীকৃষ্ণ লালচন্দানি জানান, তরুণীর ‘আত্মা’র সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য ‘তন্ত্রমন্ত্র’ করছিলেন অভিযুক্ত। ধৃতকে জেরায় এমনটাই তথ্য উঠে এসেছে বলে জানান তিনি। ডেপুটি পুলিশ কমিশনার বলেন, “পালিয়ে বেড়ানোর সময়ে নভি মুম্বইয়ের পানভেলে অভিযুক্ত কিছু ‘তন্ত্রমন্ত্র’ করেন। অভিযুক্তের দাবি, বান্ধবীকে খুনের পর থেকে তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। এই সব করে তিনি বান্ধবীর আত্মার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিলেন।”

পুলিশ জানাচ্ছে, জেরার সময়ে বান্ধবীকে খুনের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত। বান্ধবীর অন্য কোনও যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলে সন্দেহ করতেন তিনি। সেই রাগেই তিনি বান্ধবীকে খুন করে পালিয়ে যান। অন্য দিকে মৃত ছাত্রীর বাবার দাবি, অভিযুক্ত তাঁর মেয়েকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিতেন। অভিযুক্তের কাছে তরুণীর বেশ কিছু আপত্তিকর ছবি ছিল বলে পরিবারের দাবি। সেই ছবিগুলি ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তরুণীর কাছ থেকে টাকা নিতেন অভিযুক্ত। এমনটাই দাবি পরিবারের। তবে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement
আরও পড়ুন