Bihar Encounter

‘১০-১৫ পুলিশকর্মীর লাশ পড়বে’! পুলিশকে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে ‘এনকাউন্টারে’ হত বিহারের দুষ্কৃতী কুন্দন

পুলিশ সূত্রে খবর, মোতিহারির দুষ্কৃতী কুন্দনের একটি অডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে। সেখানে কুন্দনকে সরাসরি পুলিশকে হুমকি দিতে শোনা গিয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১৫:৩৪
পুলিশের গুলিতে হত দুষ্কৃতী কুন্দন।

পুলিশের গুলিতে হত দুষ্কৃতী কুন্দন।

দিন কয়েক আগেই পুলিশকে খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, ‘‘১০-১৫ জন পুলিশকর্মীর লাশ ফেলে দেব। আর আপনারা ধরতেও পারবেন না আমাকে।’’ বিহারের মোতিহারীর সেই কুখ্যাত দুষ্কৃতী কুন্দন ঠাকুর নিহত হলেন পুলিশের সঙ্গে ‘এনকাউন্টারে’। এই সংঘর্ষে বিহার পুলিশের এসটিএফের এক জওয়ানেরও মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, মোতিহারির দুষ্কৃতী কুন্দনের একটি অডিয়ো সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে। সেখানে কুন্দনকে সরাসরি পুলিশকে হুমকি দিতে শোনা গিয়েছে। ১০-১৫ জন পুলিশকর্মীকে খুন করার কথা বলেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পুলিশকে খোলা চ্যালেঞ্জ করেন, যদি পারে তাঁকে গ্রেফতার করে দেখাক। কুন্দন আরও হুঁশিয়ারি দেন, তাঁকে ধরতে না পেরে যদি তাঁর পরিবারের কোনও সদস্যের উপর অত্যাচার করা হয় বা তাঁদের গায়ে যদি কোনও আঁচড় লাগে, তা হলে ঠিক একই অবস্থা হবে পুলিশের পরিবারগুলিরও। এর পরই তিনি বলেন, ‘‘ভাববেন না, এ কথা বলার পর আমি ভয় পেয়ে পালিয়ে যাব। সামনাসামনি লড়াই করব।’’

এই অডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পরই কুন্দনকে ধরতে বিশেষ দল গঠন করা হয়। তার পর শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই পুলিশের নজরদারিতে ছিলেন কুন্দন। তাঁর গতিবিধির উপর নজর রাখা হচ্ছিল। গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পায়, মোতিহারি জেলার এক এলাকায় একটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন কুন্দন। সেই খবর পেয়েই ওই এলাকায় পৌঁছোয় পুলিশ। পুরো ঘিরে ফেলা হয়। পুলিশ পৌঁছোতেই তাদের লক্ষ্য করে বাড়ির ভিতর থেকে লাগাতার গুলি চালাতে থাকেন কুন্দন। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। দু’পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির লড়াই হয়। পুলিশের গুলিতে গুরুতর জখম হন কুন্দন। পুলিশের এক কর্মীও গুরুতর আহত হন এই সংঘর্ষে। কুন্দনের মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলে। পুলিশকর্মীকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement
আরও পড়ুন