1500 Crore Rupees Cyber Fraud

১৫০০ কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা! গুজরাতের রাজকোট থেকে গ্রেফতার তিন, ধৃতের সংখ্যা বেড়ে ন’জন

রাজকোটের পুলিশ সুপার বিজয় সিংহ গুর্জর জানিয়েছেন, ধৃতের ‘মিউল’ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতারণার কোটি কোটি টাকা লেনদেন করতেন। বিদেশেও এর যোগসূত্র আছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫২
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

১৫০০ কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা মামলায় গুজরাতের রাজকোট থেকে তেলঙ্গানার এক যুবক-সহ তিন জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই নিয়ে এই মামলায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ন’জন। ধৃতেরা হলেন আদিলউদ্দিন মহম্মদ, মিহির রামজি রঙ্গানি, হীরেন অশ্বিন লিম্বাসিয়া। তেলঙ্গানার বাসিন্দা আদিল। বাকি দু’জন রাজকোটের। আরও এক অভিযুক্ত লালো ওরফে ইয়াগনিক জ়ালাভারিয়ার খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

Advertisement

রাজকোটের পুলিশ সুপার বিজয় সিংহ গুর্জর জানিয়েছেন, ধৃতের ‘মিউল’ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রতারণার কোটি কোটি টাকা লেনদেন করতেন। বিদেশেও এর যোগসূত্র আছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আসে রাজকোটের কয়েক জনের অ্যাকাউন্টে হঠাৎ করে ২৩ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা ঢোকে। তার পর সেই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারকেরা অন্যত্র টাকা লেনদেন করতেন। বেশ কয়েকটি প্রতারণার অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। তখন তারা জানতে পারেন, এ রকম বহু গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। আবার সেই টাকা তুলেও নেওয়া হয়েছে। কী ভাবে কোথা থেকে এত টাকা এল, তা নিয়ে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই ধরনের প্রতারণা চক্র চালাচ্ছিলেন ১০। তাঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ন’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রাজকোট পুলিশ জানিয়েছে, মোট ১৫০০ কোটি টাকা প্রতারণার হদিস মিলেছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, মণীশ কামানি, জয় নাদপারা এবং মিহির রঙ্গানি ৯০০ কোটি টাকা বেশ কয়েকটি মিউল অ্যাকাউন্টে লেনদেন করেন। সেই সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পারে, ৯০০ কোটি নয়, মোট ১৫০০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। তেলঙ্গানাতেও এই চক্রের হদিস মিলেছে। এই চক্রের জাল কতদূর ছড়িয়ে এখন সেই শিকড়েই পৌঁছোতে চাইছে পুলিশ।

মিউল অ্যাকাউন্ট কী?

মিউল অ্যাকাউন্ট হল এমন একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যা অপরাধীরা অবৈধ অর্থ লেনদেনে (যেমন: আর্থিক তছরুপ, প্রতারণা, চুরি করা টাকা স্থানান্তর) ব্যবহার করে। এই ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টধারী ব্যক্তি সচেতন ভাবে বা অজান্তেই অন্যের অপরাধমূলক অর্থ নিজের অ্যাকাউন্টে গ্রহণ করেন এবং পরে অন্যত্র পাঠিয়ে দেন। সহজ কথায়, এটি হল অবৈধ অর্থ লেনদেনে ব্যবহৃত মধ্যবর্তী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।

Advertisement
আরও পড়ুন