Modi's Pakistan Policy failed

সম্মান বেড়েছে পাকিস্তানের, ব্যর্থ মোদী-নীতি: কংগ্রেস

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৪৩
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

ভূকৌশলের রাজনীতিতে পাকিস্তান যখন নিজের ভাবমূর্তি ইরান ও আমেরিকার মধ্যে মধ্যস্থতার মাধ্যমে যথেষ্টই বাড়িয়ে নিতে পেরেছে, ঠিক তখনই বর্ষপূর্তি হল পহেলগাম জঙ্গি হামলার। বিষয়টিকে নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রচার চালিয়েছে কেন্দ্র, তাতে সাড়াও মিলেছে। আমেরিকা, ফ্রান্স, ব্রিটেন, ইজ়রায়েলের মতো রাষ্ট্রের মন্ত্রী-নেতা অথবা রাষ্ট্রদূত আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের প্রশ্নে বিবৃতি দিয়েছেন। তবে পাকিস্তানের নাম সরাসরি উল্লেখের বিষয়টি এড়িয়েগিয়েছেন তাঁরা।

কংগ্রেসের প্রধান মুখপাত্র জয়রাম রমেশ অভিযোগ তুলেছেন, যে পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক ভাবে একঘরে করে দেওয়া উচিত ছিল তারা আন্তর্জাতিক স্তরে নতুন সম্মান হাসিল করেছে। সেটাকে প্রকারান্তরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘ব্যর্থ বিদেশনীতি’ হিসেবেই তুলে ধরেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ এই সাংসদ। জয়রামের কথায়, “২০০৮ সালে মুম্বই হামলার পরে পাকিস্তানকে একঘরে করে দেওয়া হয়েছিল। তাদের অর্থনীতি নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল। অথচ আজ সেই রাষ্ট্রের সেনাপ্রধান আন্তর্জাতিক সম্মান আদায় করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশনীতি যে ব্যর্থ ও নিজের ঢেঁড়া নিজে পেটার নীতি যে আর চলছে না সেই সত্য অনেক ভাবেই প্রতিফলিত হয়েছে।” প্রধানমন্ত্রী আজ বলেন, “পহেলগামের জঘন্য হামলার ঘটনা কখনওই ভোলা হবে না। ভারত সন্ত্রাসবাদের সামনে কখনই ঝুঁকবে না। সন্ত্রাসবাদীদের ঘৃণ্য চক্রান্ত সফল হবে না।”

এখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নেমেছে আমেরিকা ও ইজ়রায়েল। ইজ়রায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর বক্তব্য, “পহেলগাম সন্ত্রাসের বর্ষপূর্তিতে আমাদের দেশের পক্ষ থেকে নিরপরাধ মানুষদের নিহত হওয়ার ঘটনায় শোক জানাই। তাঁদের পরিবারের বেদনায় আমরাও ভাগীদার। যে কোনও ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইজ়রায়েল অবিচলিত। এই নাশকতার বিরুদ্ধে মোকাবিলায় ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা আমরা আরও পোক্ত করব। পাশাপাশি শান্তি, সুস্থিতি এবং নিরাপত্তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধ।”পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের আর এক অংশীদার আমেরিকার নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোরের কথায়, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমরা ভারতের পাশে রয়েছি।” কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্র অস্ট্রেলিয়ার ভারতে নিযুক্ত হাইকমিশনারের কথায়, “এক বছর পেরিয়ে গেল। আমরা পহেলগামের সেই ভয়ঙ্কর হামলায় নিহত ব্যক্তিদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করছি। অস্ট্রেলিয়া সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অনমনীয়।” একই ভাবে ব্রিটিশ হাইকমিশন বিবৃতি দিয়ে বলেছে, “ব্রিটেন সমস্ত ধরনের সন্ত্রাসবাদের নিন্দা করছে। শান্তি এবং নিরাপত্তা ফেরাতে আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করার প্রশ্নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

আরও পড়ুন