Operation Sindoor

রাশিয়ার ‘সুদর্শন চক্র’ দিয়ে পাকিস্তানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রুখল ভারত! প্রত্যাঘাতে পাঠানো হল ইজ়রায়েলি হার্পি ড্রোন

সূত্রের খবর, বুধবার রাতে উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের সেনাঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টা করে পাকিস্তান। তার মধ্যে ছিল অবন্তীপুরা, শ্রীনগর, জম্মু, পঠানকোট, অমৃতসর, লুধিয়ানা এবং ভুজ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৮ মে ২০২৫ ২১:২০
এস ৪০০ ট্রায়াম্ফ। ভারতের আকাশের অতন্দ্র প্রহরী। ছবি: সংগৃহীত।

এস ৪০০ ট্রায়াম্ফ। ভারতের আকাশের অতন্দ্র প্রহরী। ছবি: সংগৃহীত।

‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরই ভারতের ১৫টি শহরকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় পাকিস্তান। কিন্তু সেই ক্ষেপণাস্ত্র নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছোনোর আগেই সেগুলিকে নষ্ট করে দেয় ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। আর এ ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে রাশিয়ার এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

Advertisement

সূত্রের খবর, বুধবার রাতে উত্তর এবং পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। তার মধ্যে ছিল অবন্তীপুরা, শ্রীনগর, জম্মু, পঠানকোট, অমৃতসর, লুধিয়ানা এবং ভুজ। কিন্তু পাকিস্তানের সেই হামলা পুরোপুরি ভেস্তে দেয় এ-৪০০। যা ভারতের আকাশকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে রেখেছে। বুধবার রাতে সেই হামলা রুখে দেওয়ায় প্রমাণতি হল যে, রাশিয়ার থেকে কেনা এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকরী। ভারতীয় সেনায় এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুদর্শন চক্র’। আকাশপথে যে দিক থেকেই হামলা হোক না কেন, এস ৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই হামলাকে রুখে দিতে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে।

হার্পি ড্রোন। প্রত্যাঘাতে এটিই ব্যবহার করেছে ভারত। ছবি: সংগৃহীত।

হার্পি ড্রোন। প্রত্যাঘাতে এটিই ব্যবহার করেছে ভারত। ছবি: সংগৃহীত।

বিশ্বের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে একটি এস ৪০০। ৬০০ কিলোমিটারের দূর থেকেই লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করতে পারে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে শত্রুপক্ষের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র এলেই তা নিমেষে ধ্বংস করে দিতে পারে এস ৪০০। জম্মু-কাশ্মীর এবং পঞ্জাবের সুরক্ষার জন্য একটি মোতায়েন রয়েছে পঠানকোটে। আরও একটি মোতায়েন রয়েছেন রাজস্থান এবং গুজরাতে।

সূত্রের খবর, ভারতে হামলার চেষ্টার পর পরই পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ছিন্নভিন্ন করতে ইজ়রায়েলের তৈরি ‘হার্পি ড্রোন’ পাঠানো হয়। এই ড্রোন মূলত প্রতিপক্ষের রেডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেয়। এই ড্রোন উচ্চমাত্রার বিস্ফোরক বহন করতে পারে। দিন-রাতের যে কোনও অভিযানে এই ড্রোন ব্যবহার করা যায়। লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করে নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানতে পারে এই ড্রোন।

পাকিস্তানের দাবি, ভারতের ১২টি ‘হার্পি ড্রোন’ গুলি করে নামিয়েছে তারা। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে পাক সেনার লেফটেন্যান্ট জেনারেল চৌধরি বলেন, ‘‘গত রাত থেকে বিভিন্ন স্থানে হামলাকারী ১২টি ভারতীয় ড্রোন পাকিস্তান সেনা ধ্বংস করেছে। ভারতীয় সেনার আচরণে আগ্রাসনের বার্তা স্পষ্ট।’’ ভারতীয় সেনা ইজ়রায়েলে তৈরি আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার করে অসামরিক জনবসতি এলাকায় হামলা চালানোর চেষ্টা করে বলে তাঁর অভিযোগ।

Advertisement
আরও পড়ুন