Bihar Stampede

বিহারে মন্দিরের মধ্যে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু আট মহিলার! আহত বেশ কয়েকজন, প্রশ্নের মুখে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাপনা

কী কারণে এই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা ছিল কি না, তা-ও জানা যায়নি। কোথায় গাফিলতি ছিল, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বিহার সরকার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ১২:৩০
বিহারের নালন্দার এক মন্দিরে ভিড়ের মধ্যে পদপিষ্ট হন বেশ কয়েকজন মহিলা।

বিহারের নালন্দার এক মন্দিরে ভিড়ের মধ্যে পদপিষ্ট হন বেশ কয়েকজন মহিলা। ছবি: সংগৃহীত।

বিহারের নালন্দায় এক মন্দিরে পুণ্যার্থীদের ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে আট জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে আট জনই মহিলা। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েক জন। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, ভিড় এবং হুড়োহুড়িতে অন্তত ছ’জন আহত হয়েছেন।

Advertisement

নালন্দা জেলার বিহার শরিফ এলাকায় ওই শীতলা মন্দিরে মঙ্গলবার প্রচুর ভক্তের ভিড় হয়েছিল। ভিড়ের মধ্যেই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। ঘটনাস্থলের কিছু ভিডিয়ো ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে (ওই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম)। তাতে দেখা যাচ্ছে মন্দির চত্বরের ভিতরে বহু মানুষের ভিড় হয়েছে।

কী কারণে এই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনা ছিল কি না, তা-ও জানা যায়নি। কোথায় গাফিলতি ছিল, তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বিহার সরকার। বিহারের মুখ্যসচিবকে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছে সে রাজ্যের সরকার। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার জন্য পটনার কমিশনারকেও পাঠানো হয়েছে বিহার শরিফে।

মঙ্গলবারের ওই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি। ওই দুর্ঘটনা ‘অত্যন্ত বেদনাদায়ক’ বলে জানিয়েছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সরকার প্রয়োজনীয় সব রকম সাহায্য করছে বলেও জানান বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে খবর, চৈত্র মাসের শেষ মঙ্গলবার এবং মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষে মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য ভক্তদের ভিড়ও বেশি ছিল। ভোর থেকেই ভক্তসমাগম শুরু হয়েছিল মন্দিরে। সময় যত এগোয়, ভিড়ও তত বৃদ্ধি পায়। তবে সেই ভিড় সামলানোর জন্য পর্যাপ্ত পুলিশি বন্দোবস্ত ছিল কি না, তা জানা যায়নি।

ললিত কুমার নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেন, “আজ মহাবীর জয়ন্তী এবং মঙ্গলবার। তাই প্রচুর ভিড় ছিল। যে ব্যারিকেডগুলি করা ছিল, সেগুলি ভেড়ে যায় এবং পদপিষ্টের পরিস্থিতি তৈরি হয়। লোকজন বলছে ওখানে কোনও পুলিশ ছিল না।” পটনা থেকে যাওয়া অপর এক ভক্ত বলেন, “আমরা মন্দিরের ভিতরে ঢুকতেই পারিনি। পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার পর আমাদের বার করে দেওয়া হয়। লাঠিচার্জও করা হয়।”

Advertisement
আরও পড়ুন