NOTA

এক জন মাত্র প্রার্থী থাকলেও ইভিএমে নোটা রাখার দাবি, জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

একটি জনস্বার্থ আবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, কোনও নির্বাচনে যদি কেবল এক জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তা হলেও ভোটারদের জন্য নোটা-বিকল্পটি ব্যবহার করা উচিত।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৫

—প্রতীকী চিত্র।

বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্রে ‘নোটা’-বিকল্প আদৌ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মান উন্নত করেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ জানিয়েছে, ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী নোটা-বিকল্পের মাধ্যমে কোনও আসন পূরণ করা সম্ভব নয়।

Advertisement

একটি জনস্বার্থ আবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, কোনও নির্বাচনে যদি কেবল এক জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তা হলেও ভোটারদের জন্য নোটা-বিকল্পটি ব্যবহার করা উচিত। আবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, যেখানে কেবলমাত্র এক জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, সেখানে নোটা-বিকল্প না-থাকায় ভোটারদের ‘ভোটের অধিকার’ লঙ্ঘিত হচ্ছে। প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে নির্বাচন কমিশন বৈদ্যুতিন ভোটযন্ত্রে চালু করেছিল নোটা (নান অফ দ্য অ্যাভব)-বিকল্প। অর্থাৎ, অংশগ্রহণকারী কোনও প্রার্থীকে পছন্দ না হলে ভোটাররা ভোটযন্ত্রে ওই বিকল্প বেছে নিতে পারেন। কিন্তু কোনও কেন্দ্রে নোটায় সর্বাধিক ভোট পড়লেও সেখানে ভোট বাতিলের কোনও সংস্থান নেই।

কোনও নির্দিষ্ট কেন্দ্রে নোটায় সর্বাধিক ভোট পড়লে সেই কেন্দ্রের নির্বাচন বাতিলের দাবিতেও সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা পড়েছিল। তার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত বলেছে, ‘‘সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়েও নোটা কোনও আসন পূরণ করতে না-পারার কারণে এটি কোনও বিকল্প হতে পারে না।’’ এ ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের ‘পরামর্শ’, ভাল প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনে ভোটদান বাধ্যতামূলক করার চেষ্টা করা উচিত। শিক্ষিত ও সচ্ছল ভোটারেরা নির্বাচনে অশিক্ষিত ও মহিলাদের তুলনায় কম ভোট দেন বলেও মন্তব্য করে বেঞ্চ। মামলার শুনানিতে অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কটরামানি আবেদনের বিরোধিতা করে বলেন, ‘‘আমরা অনেক কাল্পনিক ভিত্তির মধ্যে ঢুকে পড়ছি। আইনকে এ ভাবে পরীক্ষা করা যায় না। ভোটদানের অধিকার একটি সাংবিধানিক অধিকার।’’

Advertisement
আরও পড়ুন