—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
বিবাহবিচ্ছেদের মামলায় স্ত্রীকে প্রয়োজনীয় খোরপোষ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট। তবে সেই নির্দেশ কানে তোলেননি স্বামী। এর পর মামলাটি গড়িয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সম্প্রতি মামলার শুনানিতে মহিলাকে খোরপোষের নির্দেশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ। গুজরাতের যে বেসরকারি সংস্থায় ওই ব্যক্তি কর্মরত, সেই সংস্থাকে প্রতি মাসে তাঁর বেতন থেকে ২৫ হাজার টাকা প্রাক্তন স্ত্রী এবং দম্পতির চার বছরের মেয়ের ভরণপোষণের জন্য পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে বেঞ্চ।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২২ সালে। আমদানি-রফতানি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত গুজরাতের একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মীর বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের হয়েছিল নিম্ন আদালতে। সেই মামলায় ২০২৪ সালে গুজরাতের একটি কোর্ট মহিলাকে প্রতি মাসে খোরপোষ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বামীকে। কিন্তু খোরপোষের সেই অঙ্ক কোনওদিনই হাতে পাননি স্ত্রী। শেষ পর্যন্ত মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ কোর্ট গুজরাতের সংস্থাকে ওই কর্মীর বেতনের ৫০ শতাংশ প্রাক্তন স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
এ দিকে, ওই ব্যক্তির ব্যক্তিগত হলফনামা এবং গুজরাতের ‘রিষদ শিপিং অ্যান্ড ক্লিয়ারেন্স এজেন্সি’ নামের সেই সংস্থা তরফে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির প্রতি মাসের বেতন প্রায় ৫০ হাজার টাকা। সেই হিসেবে তাঁর রোজগারের ৫০ শতাংশ তথা ২৫ হাজার টাকা ওই ব্যক্তির স্ত্রী এবং তাঁদের চার বছরের মেয়ের দেখভাল খাতে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা ও বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘‘স্বামীর মাসিক পারিশ্রমিক থেকে ২৫ হাজার টাকা স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া ছাড়া আর কোনও বিকল্প ছিল না।’’ সংবাদ সংস্থা