Anup Maji

কয়লা দুর্নীতি: অনুপের বক্তব্য জানতে চায় কোর্ট

কয়লা পাচার মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই চলতি বছরের শুরুতে ইডি কলকাতায় আইপ্যাক-কর্তার ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েছিল। সে সময় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তল্লাশি চলাকালীন আইপ্যাকের দফতরে ঢুকে কিছু নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নিয়ে বেরিয়ে যান।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৩ মে ২০২৬ ০৯:২৮

—প্রতীকী চিত্র।

কয়লা পাচার কেলেঙ্কারির মূল মাথা হিসেবে অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ‘প্রভাবশালী ব্যক্তি’ থেকে বহু পুলিশ অফিসার, আমলাদের মোটা টাকা ঘুষ দিয়েছিলেন বলে ইডি দাবি করায় আজ সুপ্রিম কোর্ট মন্তব্য করল, ‘এখন তো সব প্রভাব চলে গিয়েছে।’ তাই ইডি-কে এখন দ্রুত মামলা শেষ করতে হবে বলে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে।

কয়লা পাচার মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই চলতি বছরের শুরুতে ইডি কলকাতায় আইপ্যাক-কর্তার ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়েছিল। সে সময় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তল্লাশি চলাকালীন আইপ্যাকের দফতরে ঢুকে কিছু নথি ও বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নিয়ে বেরিয়ে যান। এই ঘটনায় ইডি সিবিআই তদন্ত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেছিল। আগামিকাল, বুধবার সেই মামলার শুনানি রয়েছে।

তার আগে আজ ইডি সুপ্রিম কোর্টে কয়লা পাচারের মূল চক্রী হিসেবে অভিযুক্ত অনুপের আগাম জামিনের জন্য সওয়াল করেছে। অনুপ গত বছর দিল্লি হাই কোর্ট থেকে কয়লা পাচার মামলায় আগাম জামিন পেয়েছিলেন। ইডি তা খারিজের আবেদন করায় শীর্ষ আদালতের বিচারপতি বিক্রমনাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ অনুপের বক্তব্য জানতে চেয়েছে। ইডি-র আইনজীবী অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু দাবি করেন, অনুপ পলাতক ছিলেন। এই মামলায় ২,৭০০ কোটি টাকার জাতীয় সম্পদ লুট হয়েছে। অনুপই মূল হোতা। অনুপের আইনজীবী সিদ্ধার্থ দাভের দাবি, তাঁর মক্কেল তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করেছেন। ইডি-র সামনে ২৩ বার হাজিরা দিয়েছেন। রাজু বলেন, দুর্নীতির মূল চক্রী অনুপপ্রথম দিকে তদন্তে সহযোগিতা করেননি। দাভে যুক্তি দেন, এখন আর হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই।

আরও পড়ুন