Bengaluru Techie Murder

ঘনিষ্ঠ হতে বাধা! বেঙ্গালুরুতে ঘরে ঢুকে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত যুবতীকে খুন তরুণের

নিহত যুবতীর নাম শর্মিলা ডিকে (৩৪)। বেঙ্গালুরুর এক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় সফট্‌অয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন শর্মিলা। রামমূর্তি নগর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:২৬
(বাঁ দিকে) নিহত শর্মিলা ডিকে। অভিযুক্ত তরুণ (ডান দিকে)

(বাঁ দিকে) নিহত শর্মিলা ডিকে। অভিযুক্ত তরুণ (ডান দিকে) ছবি: সংগৃহীত।

ঘনিষ্ঠ হতে বাধা দিয়েছিলেন! সেই রাগেই তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত যুবতীকে খুন করলেন সদ্যতরুণ। গত সপ্তাহে বেঙ্গালুরুতে ঘটনাটি ঘটেছে। রবিবার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত যুবতীর নাম শর্মিলা ডিকে (৩৪)। বেঙ্গালুরুর এক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় সফট্‌অয়্যার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন শর্মিলা। রামমূর্তি নগর এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন তিনি। গত ৩ জানুয়ারি তাঁর ঘরে কোনও ভাবে আগুন লেগে যায়। পরে ওই ঘর থেকেই শর্মিলার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিল, ঘরে আগুন লাগার জেরে শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ওই যুবতীর। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস)-এর ধারা ১৯৪(৩)(ঘ)-এর অধীনে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা নথিভুক্ত করে তদন্তে নামে পুলিশ। আর তাতেই প্রকাশ্যে আসে প্রকৃত সত্য।

তদন্তকারীরা জানতে পারেন, আগুন লাগার আগে ঘরে দ্বিতীয় কেউ ছিলেন। পরে জানা যায়, মৃতার পাশের বাড়িতে থাকতেন এক তরুণ। সে দিন তিনিই ছিলেন ঘটনাস্থলে। জিজ্ঞাসাবাদে ওই তরুণ অপরাধ স্বীকার করে নেন। ধৃত পুলিশকে জানান, গত ৩ জানুয়ারি রাত ৯টা নাগাদ তিনি যুবতীর ঘরের জানলা দিয়ে তাঁর বাড়িতে ঢোকেন। তার পর মহিলাকে যৌন হেনস্থার চেষ্টা করেন। শর্মিলা বাধা দিলে তরুণ তাঁর মুখ এবং নাক চেপে ধরেন। শ্বাসরুদ্ধ হয়ে জ্ঞান হারান শর্মিলা। এর পর প্রমাণ লোপাট করতে বেশ কিছু জামাকাপড় এবং অন্যান্য জিনিস ঘরের এক জায়গায় জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেন ওই তরুণ। তার পর ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেন। পালানোর সময় তিনি শর্মিলার মোবাইল ফোনটিও চুরি করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর একাধিক ধারার অধীনে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

Advertisement
আরও পড়ুন