US Tariff on India

মার্কিন শুল্কের কোপে ভারতে চাকরির বাজারে তৈরি হতে পারে অনিশ্চয়তা! আশঙ্কা উপরাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে

স্ট্র্যাপ: বর্তমানে আমেরিকার বাজারে ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথমে ২৫ শতাংশ, এবং পরে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:৪৬
উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণন।

উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণন। —ছবি : সংগৃহীত

ভারতের উপর মার্কিন শুল্ক জারি থাকলে চাকরি বাজারে তৈরি হতে পারে অনিশ্চয়তা। কাজ হারাতে পারেন অনেক। উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণনকে লেখা এক চিঠিতে এমনটাই আশঙ্কা করেছে ভারতের পোশাক রফতানি সংস্থাগুলি।

Advertisement

বর্তমানে আমেরিকার বাজারে ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথমে ২৫ শতাংশ, এবং পরে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের কারণে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন তিনি। বাণিজ্য নিয়ে দফায় দফায় আলোচনার পরেও সেই শুল্ক এখনও প্রত্যাহার হয়নি। এ অবস্থায় ভারতের যে বাণিজ্যক্ষেত্রগুলি সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, তার মধ্যে অন্যতম বস্ত্রশিল্প।

সম্প্রতি ভারতের পোশাক রফতানি সংস্থাগুলির সংগঠন 'অ্যাপারেল এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিল' একটি চিঠি পাঠিয়েছে উপরাষ্ট্রপতিকে। তামিলনাড়ুর তিরুপুরের বস্ত্রশিল্প সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করছে তারা। রফতানি সংস্থাগুলির মতে, রপ্তানিকারকদের মতে, তিরুপুর থেকে প্রতি বছর প্রায় ১৪,০০০ কোটি টাকার পোশাক আমেরিকায় রফতানি হয়। বস্তুত, উপরাষ্ট্রপতি রাধাকৃষ্ণন অতীতে (২০০৪-২০০৭) তামিলনাড়ু বিজেপির রাজ্য সভাপতি ছিলেন।

উপরাষ্ট্রপতিকে পাঠানো চিঠিতে সংগঠনের তরফে জানানো হয়, আমেরিকার শুল্কের জেরে আমেরিকায় ভারতের বস্ত্র রফতানি ব্যাপক ভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। আমেরিকাই যে ভারতের পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার (একক দেশ হিসাবে), তা-ও উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে। সংগঠনের আশঙ্কা, শুল্ক-সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে, বস্ত্রশিল্পে অগ্রিম বরাত বন্ধ এবং চাকরি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন