Marriage Fraudulent Case

‘সুন্দর পাত্রী চাই’! বিজ্ঞাপনের নামে কয়েকশো পরিবারকে প্রতারণা, পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণি অনুত্তীর্ণ দুই তরুণ ধৃত

সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের বাগপত পুলিশের কাছে এ রকম বেশ কয়েকটি প্রতারণার অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৩৬
প্রতীকী ছবি।

প্রতীকী ছবি।

সুন্দর পাত্রী চাই। এই বিজ্ঞাপনের নামে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কয়েকশো পরিবারকে প্রতারণার অভিযোগ উঠল। এ বার সেই প্রতারকদের হাতেনাতে ধরল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। ধৃতেরা হলেন নাভেদ এবং ভুরা। তাঁরা নাম এবং পরিচয় বদলে পাত্রীপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

Advertisement

কী ভাবে প্রতারণার জাল পাততেন অভিযুক্তেরা?

পুলিশ সূত্রে খবর, পাত্রীপক্ষের কাছে নিজেদের সরকারি অফিসার হিসাবে পরিচয় দিতেন নাভেদ এবং ভুরা। সব আলোচনা হয়ে যাওয়ার পর যখন পাকা কথার সময় আসত, হঠাৎ পাত্রীপক্ষের বাড়িতে ফোন যেত। নাভেদ এবং ভুরা ফোন করে জানাতেন, খুব অসুবিধায় পড়েছেন। কখনও আবার কাঁদো কাঁদো কণ্ঠে বলতেন, দুর্ঘটনা হয়েছে। কখনও আবার এমন ভাবে ভরসা এবং বিশ্বাস অর্জন করতেন যে টাকা দিয়ে ‘বিপদে’ সাহায্য করার জন্য এগিয়েও আসত পাত্রীর পরিবার। মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাসও দিতেন তাদের। কিন্তু টাকা এক বার অ্যাকাউন্টে ঢুকে গেলেই সেই ফোন বন্ধ করে দিতেন। যোগাযোগও বন্ধ করে দিতেন।

এ ভাবে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কয়েকশো পরিবারকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন নাভেদ এবং ভুরা। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের বাগপত পুলিশের কাছে এ রকম বেশ কয়েকটি প্রতারণার অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বেশ কয়েকটি সূত্র ধরে এবং খোঁজখবর নিয়ে বাগপত পুলিশ জানতে পারে, এক জন বা দু’জন নয়, ঠিক একই কায়দায় ওই জেলার অনেক পরিবার প্রতারিত হয়েছে। প্রতারকদের ধরার জন্য ফাঁদ পাতে পুলিশ। আর সেই ফাঁদে পড়তেই নাভেদ এবং ভুরাকে গ্রেফতার করা হয়। এই দু’জনের নামে দিল্লি, পঞ্জাব-সহ দেশের ১৬টি রাজ্যে মামলা দায়ের হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন