— প্রতীকী চিত্র।
দিল্লি থেকে বাগডোগরার পথে উড়েছিল ইন্ডিগো সংস্থার বিমান। বোমাতঙ্কের কারণে রবিবার সকালে লখনউয়ে জরুরি অবতরণ করল সেই বিমান। তাতে সওয়ার ছিলেন ২৩৮ জন যাত্রী।
লখনউয়ের এসিপি (অ্যাসিসট্যান্ট কমিশনার) রজনীশ বর্মা জানিয়েছেন, বিমানের শৌচালয়ে একটি টিস্যু পেপার মেলে, যাতে লেখা ছিল, ‘বিমানে বোমা রয়েছে’। তা দেখার পরে আতঙ্ক ছড়ায় বিমানে। দিল্লি থেকে বাগডোগরা যাওয়ার সময়ে মাঝ-আকাশে সেই টিস্যু কাগজ উদ্ধার হয়। বিমানটিকে তড়িঘড়ি লখনউ বিমানবন্দরে অবতরণ করানো হয়। সেখানে আইসোলেশন বে-তে নিয়ে যাওয়া হয় সেটিকে। যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। এসিপি বর্মা জানিয়েছেন, বিমানে শুরু হয় তল্লাশি। লখনউ বিমানবন্দরে বিমানটি যেখানে রাখা হয়েছে, সেখানে পৌঁছেছে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল এবং সিআইএসএফ। তারা তদন্ত করে দেখছে। যাত্রীদেরও পরীক্ষা করা হচ্ছে।
লখনউ বিমানবন্দরে অবতরণ করানোর পরে ইন্ডিগোর সেই বিমান। ছবি: সংগৃহীত।
ইন্ডিগো সংস্থার তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ৬ই ৬৬৫০ বিমানটিতে মাঝআকাশে বোমাতঙ্ক ছড়ায়। সেটি লখনউ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। প্রোটোকল মেনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে আরও জানানো হয়েছে, যাত্রীদের সমস্যা কমানোর সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁদের পরিস্থিতির বিষয়ে জানানো হয়েছে। যাত্রী এবং বিমানকর্মীদের সুরক্ষাকেই সংস্থা অগ্রাধিকার দেয় বলে জানানো হয়েছে। বাগডোগরা বিমানবন্দরের ডিরেক্টর নাভেদ নিজাম বলেন, ‘‘দিল্লি থেকে বাগডোগরার উদ্দেশ্যে একটি বিমান আসছিল, সেটিকে লখনউ বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করানো হয়েছে।’’
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিমানে ২৩০ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে আটটি শিশু। দু’জন পাইলট এবং ছ’জন কর্মী সওয়ার ছিলেন। লখনউ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা রবিবার সকাল ৮টা ৪৬ মিনিট নাগাদ বোমাতঙ্কের খবর পান। ৯টা ১৭ মিনিটে অবতরণ করানো হয় সেটি।