Unemployment Rate

বেকারত্বের হার আবার বেড়ে ৫ শতাংশ ছুঁয়ে ফেলেছে, জানুয়ারির রিপোর্ট প্রকাশ করে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার

সোমবার সরকারি সমীক্ষা জানাল, ১৫ বছর এবং তার বেশি বয়সিদের মধ্যে জানুয়ারিতে বেকারত্ব দাঁড়িয়েছে ৫ শতাংশ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বেকারত্বের হার ছিল ৪.৯ শতাংশ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৩৩

—প্রতীকী চিত্র।

নতুন বছরের গোড়়াতেই দেশে বেকারত্ব ক্রমশ কমছে বলে বারে বারেই দাবি করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার। কিন্তু নতুন বছরের গোড়াতেই তা নিয়ে উঠল প্রশ্ন। সোমবার সরকারি সমীক্ষা জানাল, ১৫ বছর এবং তার বেশি বয়সিদের মধ্যে জানুয়ারিতে বেকারত্ব দাঁড়িয়েছে ৫ শতাংশ। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বেকারত্বের হার ছিল ৪.৮ শতাংশ। মূলত গ্রামে বেকারত্বের হার বাড়ার কারণেই এমনটা হয়েছে।

Advertisement

গত এপ্রিল থেকে প্রতি মাসে এই হার প্রকাশ করছে কেন্দ্র। ত্রৈমাসিকের হিসাবও দিচ্ছে। দেখা গিয়েছে, মাসে হোক বা তিন মাসে, এখনও পর্যন্ত একবারই (গত ডিসেম্বরে) তা ৫ শতাংশের কম হয়েছিল। অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে কর্মসংস্থানে ঘাটতি রয়ে গিয়েছে এবং তা দেশের উন্নতির পথে অন্যতম বাধা। এই পরিস্থিতিতে মোদী সরকার উৎপাদন ভিত্তিক আর্থিক উৎসাহ প্রকল্পের ধাঁচে কর্মসংস্থান ভিত্তিক উৎসাহ প্রকল্প এনেছে। কিন্তু তাতে এখনও পর্যন্ত লক্ষণীয় কোনও ইতিবাচক পরিবর্তন হয়নি।

পরিসংখ্যান ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন মন্ত্রকের অধীনস্থ জাতীয় পরিসংখ্যান অফিস (এনএসও)-এর তৈরি করা সর্বশেষ পর্যায়ক্রমিক শ্রমশক্তি সমীক্ষা (পিএলএফএস) দেখাচ্ছে যে, গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে জানুয়ারিতে বেকারত্বের হার (ইউআর) সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্যে গ্রামীণ ও শহরাঞ্চলে শ্রমশক্তি অংশগ্রহণের হার (এলএফপিআর) এবং শ্রমিক জনসংখ্যা অনুপাত (ডব্লিউপিআর) কম দেখানো হয়েছে। সরকারি এক বিবৃতি জানাচ্ছে যে, জানুয়ারিতে এলএফপিআর এবং ডব্লিউপিআর হ্রাস এবং ইউআর বৃদ্ধি মূলত গ্রামীণ-অধোগতির কারণই। যার মধ্যে আবহাওয়াগত কারণ, ফসল কাটার পরবর্তী মন্দা এবং কৃষিকাজে নিরুৎসাহের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে রিপোর্টে দাবি। রিপোর্টে লেখা হয়েছে, ‘‘শীতকালে নির্মাণ, কৃষি সংশ্লিষ্ট কাজ, পরিবহণ, ছোট ব্যবসা ইত্যাদির মতো অনেক কাজ ধীরগতিতে চলে। সে কারণেই এমনটা হয়েছে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন