CAPF Border Duties

সীমান্তে বছরে অন্তত ৫০ রাত কাটাতে হবে সিএপিএফ এবং সীমান্তবর্তী রাজ্যের পুলিশকে! চাইছে শাহের মন্ত্রক

সূত্রের খবর, বিএসএফ, আইটিবিপি, এসএসবি, অসম রাইফেল্‌স এবং সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির পুলিশবাহিনীর প্রধানের কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে নির্দেশিকা গিয়েছে। তাঁদের দেশের নিরাপত্তাবাহিনীর ‘চোখ’ এবং ‘কান’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:২৭
Union Home Ministry asks CAPF and state police officers to visit border villages

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সীমান্তে পুলিশকে সক্রিয় করতে চান। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশবাহিনী (সিএপিএফ) এবং রাজ্য পুলিশের কর্তাদের বছরে অন্তত ৫০টি রাত সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে কাটাতে বলেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সীমান্তের বাসিন্দাদের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা এবং তৃণমূল স্তর থেকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ভিত শক্ত করতেই এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। সিএপিএফ ও রাজ্য পুলিশকে নিরাপত্তাবাহিনীর ‘চোখ’ এবং ‘কান’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সূত্র উল্লেখ করে এই তথ্য জানিয়েছে। আনুষ্ঠানিক ভাবে কোনও সরকারি নির্দেশিকা প্রকাশ্যে আসেনি।

Advertisement

সূত্রের খবর, সীমান্তরক্ষীবাহিনী (বিএসএফ), ইন্দো-টিবেটান সীমান্ত পুলিশ (আইটিবিপি), সশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি), অসম রাইফেল্‌স এবং সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির পুলিশবাহিনীর প্রধানের কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে নির্দেশিকা গিয়েছে। গত বছর ছত্তীসগঢ়ের রায়পুরে ডিজি-আইজি স্তরের সম্মেলনে এই সংক্রান্ত আলোচনা হয়েছিল। তার পরেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

রাজ্য পুলিশকে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে আরও সক্রিয় হতে বলেছে কেন্দ্র। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘পুলিশ কর্তা বা তাদের প্রতিনিধি দলের উচিত সীমান্তবর্তী গ্রামে প্রতি বছর অন্তত ৫০ রাত কাটানো।’’ ২০২৩ সালের ১০ এপ্রিল প্রাণবন্ত গ্রাম কর্মসূচি (ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম বা ভিভিপি) চালু করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সীমান্তবর্তী কোন কোন গ্রাম কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ, সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মান কতটা উন্নত, তা চিহ্নিত করা এই কর্মসূচির লক্ষ্য। ভিভিপি-র অধীনেই রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশবাহিনীকে সীমান্তে আরও সক্রিয় দেখতে চায় সরকার।

৫০ দিনের সীমান্ত অভিযানে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের গ্রামে গ্রামে ঘুরতে হবে। গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আর্থ-সামাজিক চাহিদাগুলি বুঝতে হবে এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ভিত মজবুত করতে হবে। এ ভাবেই নিরাপত্তাবাহিনীর চোখ এবং কানের ভূমিকা পালন করবে সিএপিফ এবং রাজ্য পুলিশ। গত বছর ভিভিপি-র কর্মসূচিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ডিউটির পাশাপাশি গ্রামের আর্থ-সামাজিক জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সিএপিএফ-এর ভূমিকায় জোর দিয়েছিলেন খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানিয়েছিলেন, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া এবং শিক্ষার মতো পরিসরে সিএপিএফ আধিকারিকেরা সক্রিয় হতে পারেন। তার পরেই কেন্দ্রের তরফে তাদের কাছে গ্রামে সময় কাটানোর এই নির্দেশিকা গিয়েছে বলে খবর।

Advertisement
আরও পড়ুন