— প্রতীকী চিত্র।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে দেশকে মাওবাদী মুক্ত করা হবে। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার দু’সপ্তাহ পরেও ছত্তীসগঢ়ের বস্তার ডিভিশনে মাওবাদী তৎপরতার প্রমাণ মিলল। সোমবার কাঁকেরের জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হলেন নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-র এক নেত্রী।
পুলিশ জানিয়েছে নিহত মাওবাদী নেত্রীর নাম রূপী। তিনি মাওবাদীদের সশস্ত্র শাখা পিএলজিএ (পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি) অন্যতম মহিলা কমান্ডার ছিলেন। রূপীর স্বামী বিজয় রেড্ডি ছিলেন দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটির নেতা। ২০২৫ সালে এক এনকাউন্টারে তিনি নিহত হয়েছিলেন। এর পর থেকে একাধিক বার রুপীকে আত্মসমর্পণের বার্তা হলেও তিনি সশস্ত্র আন্দোলন চালানোরই সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন।
নিরাপত্তাবাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে গত কয়েক বছরে নিহত হয়েছেন মাওবাদী সংগঠনের বহু প্রথম সারির নেতা। সিপিআই(মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজ ওরফে গগন্না, পলিটব্যুরো সদস্য রামচন্দ্র রেড্ডি ওরফে চলপতি রয়েছেন সেই তালিকায়। এবং আত্মসমর্পণ করেছেন পলিব্যুরো সদস্য বেণুগোপাল রাও। একদা ‘মাওবাদী মুক্তাঞ্চল’ হিসেবে পরিচিত বস্তার ডিভিশনের অবুঝমাঢ়ের জঙ্গলেও কেন্দ্রীয় আধাসেনা এবং ছত্তীসগঢ় পুলিশের ডিস্ট্রিক্ট রিজ়ার্ভ গার্ড ও বস্তার ফাইটার্স বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে মাওবাদীরা কার্যত নির্মূল হয়ে গিয়েছে বলে ছত্তীসগঢ় পুলিশের দাবি।