Murder

পথ আটকে নাম জিজ্ঞাসা করে আততায়ী! বলতেই মাথায় গুলি করে চম্পট, দিল্লিতে স্বামী খুনের মূল সাক্ষী স্ত্রী নিহত

২০২৩ সালে রচনার স্বামী বিজেন্দ্র যাদবকে খুনের অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় অভিযুক্ত হন ভারত যাদব-সহ ছয় জন। মূল অভিযু্ক্ত ভারত এখনও ফেরার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:০৫
নিহত রচনা যাদব।

নিহত রচনা যাদব। ছবি: সংগৃহীত।

দিল্লিতে ৪৪ বছরের এক মহিলাকে কাছ থেকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠল। ২০২৩ সালে খুন হয়েছিলেন ওই মহিলার স্বামী। সেই খুনের সাক্ষী ছিলেন রচনা যাদব। স্বামী এবং স্ত্রীর খুনের মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, খুঁজে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

রচনা দিল্লির শালিমার বাগের বাসিন্দা। নিজের এলাকার বাসিন্দাদের সংগঠনের সভাপতি ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, রচনার মাথায় গুলি করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, ২০২৩ সালে রচনার স্বামী বিজেন্দ্র যাদবকে খুনের অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় অভিযুক্ত হন ভারত যাদব-সহ ছয় জন। মূল অভিযু্ক্ত ভারত এখনও ফেরার। বাকি পাঁচ জন এখন জেলে। তাঁদের বিচার চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বিজেন্দ্রের খুনে মূল সাক্ষী ছিলেন রচনা। তাঁর সাক্ষ্য গুরুত্ব দিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তকারীদের একাংশ মনে করছেন, রচনার খুনের ফলে তাঁর স্বামীর হত্যার মামলা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। মহিলাকে যেখানে খুন করা হয়েছে, সেই এলাকার সিসি ক্যামেরায় ঘটনাটি ধরা পড়েছে। ফুটেজে অভিযুক্তের ছবি ধরা পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, একটি বৈঠক সেরে ফিরছিলেন রচনা। তাঁকে মাঝপথে দাঁড় করান অভিযুক্ত। তাঁর নাম জিজ্ঞেস করেন। নাম বলার পরেই তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। যিনি গুলি চালান, তাঁর সহযোগী ঘটনাস্থলের কাছেই একটি স্পোর্টসবাইকে বসে অপেক্ষা করছিলেন। অভিযুক্ত কাজ সেরে বাইকে চেপে চম্পট দেন। শনিবার সকাল ১১টা নাগাদ খবর যায় থানায়। পুলিশ এসে রচনার দেহ উদ্ধার করে।

তদন্তকারীরা মনে করছেন, রচনার উপর নজর রাখছিলেন অভিযুক্তেরা। রচনার দুই মেয়ে। বড় কন্যা কণিকার অভিযোগ, তাঁর বাবার খুনে অভিযুক্ত ভারতই খুন করিয়েছেন তাঁর মাকে।

Advertisement
আরও পড়ুন